২৬/১১ মুম্বই হামলার ১২ বছরের বার্ষিকীতে ফের একবার সন্ত্রাসবাদী হামলার মুখে পড়ল ভারত। বৃহস্পতিবার, জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজধানী শ্রীনগরের উপকণ্ঠে জঙ্গি হামলায় শহিদ হলেন ভারতীয় সেনার দুই জওয়ান। জানা গিয়েছে, এইচএমটি এলাকায় ভারতীয় সেনার রোড ওপেনিং পার্টির উপর হামলা চালায় সন্ত্রাসবাদীরা। ওই ঘটনায় মারাত্মক জখম হয়েছিলেন ওই দুই জওয়ান।

গুরুতর আহত অবস্থায় নিরাপত্তা বাহিনীর ওই দুই কর্মীকে শ্রীনগরের সেনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু, চিকিৎসা চলাকালীন তাঁরা দুজনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তবে ইতিমধ্যেই হামলাকারীদের ধরতে সক্রিয় হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। পুরো এলাকাটি ঘিরে চিরুনি তল্লাশি করা হচ্ছে। এই অভিযান এখনও শেষ হয়নি বলে, সেনা ও পুলিশের পক্ষ থেকে এখনই এর বেশি কিছু জানানো হয়নি।

আরও পড়ুন - গাছের পেটে হনুমান, বাঘের ছবি তুলতে গিয়ে আশ্চর্য ঘটনার সাক্ষী বন্যপ্রাণ ফটোগ্রাফারের

আরও পড়ুন - ২৫ বছর পর্যন্ত কমে যাচ্ছে বয়স, যুগান্তকারী আবিষ্কার ইজরাইলি বিজ্ঞানী-গবেষকদের

আরো পড়ুন - 'অন্যদের ছেড়ে মোদীকে আনুন', এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন ওয়াইসি

তবে শুধু মুম্বইয়ের সন্ত্রাসবাদী হামলার ১২তম বার্ষিকীই নয়, এই হামলার পিছনে এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জেলা উন্নয়ন পরিষদের (ডিডিসি) নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যও থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ২৮ নভেম্বর থেকে ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যে মোট আট দফায় জম্মু ও কাশ্মীরে ডিডিসি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা হবে ২২ ডিসেম্বর। প্রথম দফার ভোটগ্রহণের দুদিন আগেই এই হামলার ঘটনা ঘটল।

অন্যদিকে, এদিন গোটা ভারত, ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বাইয়ের সন্ত্রাসবাদী হামলার কথা স্মরণ করছে। পরপর চারদিন অবরুদ্ধ ছিল ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানীর বিভিন্ন জনপ্রিয় এলাকাগুলি। পাকিস্তান থেকে ১০ জন লস্কর-ই-তৈবা সন্ত্রাসবাদী সমুদ্রপথে মুম্বই এসেছিল। বিভিন্ন জনবহুল এলাকাগুলিতে তারা নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল। এই ঘটনায় প্রায় ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল