এবার সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্ততিতেই করোনাভাইরাস সংক্রমণ রুখতে বদ্ধ পরিকর ভারত। একটি বিবৃতি জারি করে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে ভারত বায়োটেক ইন্টারন্যাশানাল লিমিটেডের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগেই করোনার প্রতিষেধক তৈরি করা হবে। আর সেই দিকে অনেকটা এগিয়েও যাওয়া হয়েছে। ভারত বায়োটেককে প্রয়োজনীয় সাহায্য করবে আইসিএম আর ও পুনের ন্যাশানাল ভাইরোলজি। 

করোনার প্রতিষেধক তৈরিতে প্রয়োজন ছিল জীবানুর একটি স্ট্রেইন। যেটি পুনের ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। ও সেটি সফলভাবে পাঠান হয়েছে ভারত বায়োটেকে। আইসিএমআর-এর পক্ষ থেকে আরও জানান হয়েছে, আইসিএমআর আর ন্যাশানাল ভাইরোলজি করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরি করতে সম্পূর্ণভাবে সাহায্য করবে ভারত বায়োটেককে। পাশাপাশি আরও জানান হয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি প্রতিষেধক তৈরি জন্য যে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন তা গ্রহণ করা হবে।  পরীক্ষাগারে সাফল্যের পরই সেই প্রতিষেধক প্রাণীর শরীরে প্রয়োগ করা হবে। পরবর্তীকালে ক্লিনিকাল মূল্যায়ণও করা হবে। তেমনই বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন সরকারের অধীনস্ত এই সংস্থা। মূলত টিকা হিসেবেই এই প্রতিষেধক যাতে ব্যবহার করা যায় সেই দিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। 

 দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৯,৬৬২ হয়েছে। মৃত্যু হয়েছএ ১,৯৮১ জনের। আক্রান্তের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র, আর দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে গুজরাত। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রতিষেধক তৈরির কাজে হাত লাগিয়েছে সরকারি সংস্থা। 

আরও পড়ুনঃ মৃত্যুপুরী আমেরিকায় করোনা প্রাণ কাড়ল চিকিৎসক বাবা ও মেয়ে, জন্মসূত্রে তাঁরা ভারতীয় ...

আরও পড়ুনঃ মৃতের সংখ্যা ৪০০ ছাড়াতেই নাজেহাল উদ্ধব, বদলি করলেন সরকারি আধিকারিকদের ...

আরও পড়ুনঃ আবারও ঘরে ফেরার আগেই প্রাণ গেল ৫ অভিবাসী শ্রমিকের, মধ্য প্রদেশের ট্রাক দুর্ঘটনায় আহত ১১ ...

প্রতিষেধক তৈরির কাজে অনেকটাই এগিয়ে গোছে ইতালি ও ইজরায়েল। তেমনই দাবি করেছে দুই দেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসন। ইঁদুরের ওপর প্রতিষেধক প্রয়োগ করে সাফল্য এসেছে বলেই দাবি করেছে ইতালি। আর ইজরায়েলের দাবি দেশের জৈবিক পরীক্ষাগারে তৈরি অ্যান্টিবডি করোনা মোকাবিলায় রীতিমত সফল হয়েছে। পেটেন্টের অপেক্ষায় রয়েছে বলেও দাবি করেছে ইজরায়েল প্রশাসন।