শুক্রবারই কৈলাশ-মানসনোবরের যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল ৮০ কিলোমাটার লম্বা বহু প্রতীক্ষিত লিঙ্ক রোড। কিন্তু উত্তরাখণ্ডের ধরাচাউল থেকে ভারত-চিন সীমান্তবর্তী লিপুলেক পর্যন্ত এই লিঙ্ক রোড নিয়ে প্রবল আপত্তি জানিয়েছে নেপাল। সরকারি ওয়েব সাইটে নেপালের কেন্দ্রীয় প্রশাসন দাবি করেছে, একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের  সীমান্ত ইস্যু নিয়ে যে সমঝোতা হয়েছিল তার বিপরীত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী দিনে আলোচনার মাধ্যমে এর সমঝোতা খোঁজা হবে।  প্রতিবেশী নেপালের এই মন্তব্যের উত্তর দিয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। শনিবারই মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, ওই রাস্তাটি ভারতের সীমানার মধ্যেই তৈরি হয়েছে। এবং এই রাস্তাটি কৈলাশ মানসরোভরগামী তীর্থযাত্রীদের ব্যবহারের জন্যই উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। 

পাশাপাশি আরও জানান হয়েছে, ভারত এবং নেপাল সামানা সংক্রান্ত বিষয় সমস্যা মেটানোর প্রক্রিয়া চলছে। নেপালের সঙ্গে সীমান্ত নির্ধারণের মহড়া চলছে।নেপালের সঙ্গে  কূটনৈতিক আলোচনা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতার মাধ্যমে  পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে বদ্ধপরিকর ভারত। 

আরও পড়ুনঃ বিশ্বে করোনা ত্রাসের মধ্যেও চন্দ্র অভিযানের লক্ষ্যে অনড় চিন, সফল উৎক্ষেপন লংমার্চের ...

আরও পড়ুনঃ করোনা ক্লান্ত দেশে সুখবর, কৈলাশ-মানসরোবরের যাত্রীদের জন্য নতুন রাস্তা ...

গত শুক্রবারই সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ১৭ হাজার ফুট উঁচু এই লিঙ্ক রোডের উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এই লিঙ্ক রোড সাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার ফলে কৈলাশ ও মানসরোবরের যাত্রাপথ প্রায় ১০ কিলোমিটার কমে গেছে। আর এই পথ তীর্থযাত্রীদেরও অনেক সময় বাঁচবে বলেই আশা করা হয়েছে। বর্তমানে তীর্থযাত্রীদের চিনের পথেই অনেকটা যেতে হয়। এই লিঙ্ক রোড খুলে দেওয়ায় যাত্রীরা ভারতে পথেই গন্তব্যের দিকে অনেকটা এগিয়ে যেতে পারবেন বলেও মন্তব্য করা হয়েছিল প্রশাসনের পক্ষ থেকে। আর এই যাত্রাপথে কৈলাশ মানসরবর যাত্রা সম্পূর্ণ করতে ৭ দিনের মত সময় লাগবে। কিন্তু আগে সময় লাগত প্রায় ১৫ দিন। শুধুমাত্র তীর্থযাত্রীদের কথা মাথায় রেখেই এই লিঙ্ক রোড তৈরি করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।