- Home
- India News
- Iran Ceasefire: শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের ইউ-টার্ন, হরমুজ প্রণালী খোলার পিছনে কি গোপন ছক?
Iran Ceasefire: শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের ইউ-টার্ন, হরমুজ প্রণালী খোলার পিছনে কি গোপন ছক?
ট্রাম্পের দাবি, আমেরিকা নাকি সব সামরিক লক্ষ্য পূরণ করেছে, তাই হামলা থামানো হয়েছে! ইরানের সঙ্গে এই ২ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কি বড় কোনও শান্তি চুক্তির ইঙ্গিত? হরমুজ প্রণালী খোলার শর্তের আড়ালে কি বড় যুদ্ধ এড়ানো গেল, নাকি আসল চমক এখনও বাকি?

ট্রাম্প-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তি: আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) আবার গোটা বিশ্বকে চমকে দিলেন। কয়েক ঘণ্টা আগেও যেখানে ইরানের উপর বড়সড় হামলার প্রস্তুতি চলছিল, সেখানে হঠাৎই তিনি ২ সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতির (Ceasefire) ঘোষণা করেন। ট্রাম্পের দাবি, আমেরিকা তার সব সামরিক লক্ষ্য পূরণ করেছে, তাই এখন আলোচনার সময়। এটা কি শান্তির শুরু, নাকি কোনও বড় কৌশলগত খেলার অংশ?
ট্রাম্পের দাবি: 'আমরা জিতে গিয়েছি'—তাহলে যুদ্ধবিরতি কেন?
ট্রাম্প পরিষ্কার বলেছেন যে আমেরিকা তার লক্ষ্য পূরণ করেছে এবং এখন এগিয়ে গিয়েছে। তাঁর মতে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান তার উদ্দেশ্যে সফল হয়েছে। ট্রাম্পের কথা অনুযায়ী, আমেরিকা ইরানের কাছ থেকে একটি ১০-দফা প্রস্তাব পেয়েছে, যেটিকে আলোচনার ভিত্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, দুই দেশের মধ্যে অনেক পুরনো বিবাদের বিষয়ে সম্মতি তৈরি হয়েছে এবং আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি সম্ভব। এর মধ্যে, আমেরিকা ও ইজরায়েল নির্দিষ্ট সময়সীমার আগেই হামলা বাড়িয়ে দিয়েছিল, যার ফলে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। কিন্তু হঠাৎ যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে।
BREAKING - CEASEFIRE IN THE MIDDLE EAST?
President Trump agrees to Pakistan-brokered 2 week ceasefire with Iran, holds off on destroying power plants and bridges, dependent on Iran's agreement to open the Strait of Hormuz.
Will they make the right choice? pic.twitter.com/rNnfpo2Qrs— Conservative Brief (@ConservBrief) April 7, 2026
পাকিস্তানের কূটনীতি: পর্দার আড়ালে কে যুদ্ধ থামাল?
এই পুরো ঘটনায় পাকিস্তানের (Pakistan) ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির (Asim Munir) সরাসরি ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেন এবং সামরিক অভিযান থামানোর আবেদন করেন। পাকিস্তান প্রস্তাব দেয় যে দুই দেশ অন্তত ২ সপ্তাহের জন্য বিরতি নিক, যাতে কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা যায়। এই উদ্যোগকেই এখন যুদ্ধবিরতির আসল কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরানের শর্ত: হরমুজ প্রণালী খুলতে হবে
ইরান (Iran) পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে, যুদ্ধবিরতি তখনই সম্ভব যদি হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) সম্পূর্ণ এবং সুরক্ষিতভাবে খুলে দেওয়া হয়। এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের তেল সরবরাহের একটি বড় অংশ যায়। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি (Abbas Araghchi) বলেছেন, যদি হামলা বন্ধ হয়, তাহলে ইরানও তার সামরিক অভিযান থামিয়ে দেবে এবং জাহাজের জন্য পথ সুরক্ষিত করবে। অর্থাৎ, এটি শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে জড়িত একটি বড় সিদ্ধান্ত।
ইজরায়েলের ভূমিকা: বড় কোনও জোট তৈরি হচ্ছে?
ইজরায়েলও (Israel) এই যুদ্ধবিরতিকে সমর্থন জানিয়েছে এবং নিজেদের সামরিক অভিযান বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। এতে স্পষ্ট যে, এটি এখন শুধু আমেরিকা-ইরানের বিষয় নয়, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্যের (Middle East Power Balance) প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি একটি সমন্বিত কৌশল হতে পারে, যেখানে বেশ কয়েকটি দেশ একসঙ্গে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছে।
২ সপ্তাহের সময়: শান্তি নাকি ঝড়ের আগের পরিস্থিতি?
ট্রাম্পের মতে, এই ২ সপ্তাহ চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির (Peace Deal) জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ভরসা দিয়েছেন যে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বিবাদ अब শেষ হওয়ার পথে। কিন্তু মাঠের পরিস্থিতি এখনও गंभीर। সাম্প্রতিক হামলায় অনেক এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার ঠিক আগে হামলা আরও বাড়ানো হয়েছিল। উত্তেজনা এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি।

