শুরুটা হয়েছিল গত বছর ১৬ অগাস্ট অটল বিহারি বাজপেয়ীর প্রয়াণ দিয়ে। তারপর গত একবছরে বিজেপি এক এক করে সাত জন বিশিষ্ট নেতাকে হারিয়েছে। কেউ কেউ উজ্জ্বল ছিলেন জাতীয় রাজনীতিতে,আবার কেউ কেউ রাজ্য রাজনীতিতে ছিলেন বিজেপি দলের শেষ কথা।

গত একবছরে প্রয়াত বিজেপি নেতারা -

১৬ অগাস্ট, ২০১৮ - প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারি বাজপেয়ী

২৮ অক্টোবর, ২০১৮ - দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মদনলাল খুরানা

১২ নভেম্বর, ২০১৮ - প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনন্ত কুমার

১৭ মার্চ, ২০১৯ - গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনোহর পর্রিকর

২১ জুলাই, ২০১৯ - দিল্লির প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি মাঙ্গে রাম গর্গ

২১ অগাস্ট, ২০১৯ - মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল গৌর

৬ অগাস্ট, ২০১৯ -  প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ

২৪ অগাস্ট, ২০১৯ - অরুণ জেটলি

আরো পড়ুন - অটলবিহারী বাজপেয়ীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী - শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি

আরো পড়ুন - এখনও কাটেনি সুষমা স্বরাজের মৃত্যু শোক, তাঁর প্রয়াণে কী প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন জেটলি

আরও পড়ুন - শেষ হল রাজনীতির এক অধ্যায়, প্রয়াত হলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি

আরো পড়ুন - রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সুষমার শেষকৃত্য! উপস্থিত মোদী থেকে আডবানি সকলেই

একসঙ্গে এতজন বিশিষ্ট নেতারকে হারানোটা যে কোনও দলের পক্ষেই নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা। তবে এর পিছনে বিরোধিদের হাত থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিজেপি সাংসদ প্রজ্ঞা ঠাকুর বা সাধ্বী প্রজ্ঞা।

এদিন তিনি অরুণ জেটলীর স্মরণে আয়োজিত এক শোকসভায় বলেন, অনেকদিন আগে এক সাধু মহারাজ তাঁকে বলেছিলেন, সাধনার সময় যেন তিনি কিছুতেই না কমান। বরং, সাধনার সময় ক্রমেই বাড়িয়ে যাওয়া উচিত। কারণ সময় খুব খারাপ যাচ্ছে। আর বিরোধিরা ভারতীয় জনতা পার্টির বিরুদ্ধে 'মারক শক্তি' ব্যবহার করছে। তিনি আরও বলেন সেই সাধু বলেছিলেন এই শক্তি ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ক্ষতি করবে। সাধ্বীকে তিনি বলেছিলেন আপনাদের নিশানা করা হচ্ছে। তাই সাবধানে থাকবেন।

সাধ্বীর দাবি তিনি সেই সময়ে মহারাজের কথা অত মন দিয়ে শোনেননি। ভুলেও গিয়েছিলেন। কিন্তু এখন বাস্তবে যখন একের পর এক বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব অসময়ে পরলোক গমন করছেন তখন তাঁর সেই মহারাজের সাবধানবাণী মনে পড়ছে। আর তার মনে প্রশ্ন জাগছে ওই সাধুবাবার কথাই সত্যি নয়তো? তিনি বলেন এটা এখনও প্রশ্নের স্তরে রয়েছে। কিন্তু সত্যিটা হল একের পর এক নেতা অসময়ে চলে যাচ্ছেন। তাই প্রশ্নটা উড়িয়েও দেওয়া যাচ্ছে না।