- Home
- India News
- Super El Nino: ‘পৃথিবী প্রায় পুরোটাই লাল’ ‘সুপার-ডুপার’ El Niño-র দাপট, বাড়ছে তাপ-বৃষ্টি-খরার বিপদ
Super El Nino: ‘পৃথিবী প্রায় পুরোটাই লাল’ ‘সুপার-ডুপার’ El Niño-র দাপট, বাড়ছে তাপ-বৃষ্টি-খরার বিপদ
আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে El Niño। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, চলতি বছরের El Niño শক্তিশালী হয়ে এমন পর্যায়ে পৌঁছতে পারে, যা ১৯৫০ সালের পর অন্যতম তীব্র ঘটনা হতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের আবহাওয়া ও তাপমাত্রায়।

আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে El Niño। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, চলতি বছরের El Niño শক্তিশালী হয়ে এমন পর্যায়ে পৌঁছতে পারে, যা ১৯৫০ সালের পর অন্যতম তীব্র ঘটনা হতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের আবহাওয়া ও তাপমাত্রায়। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা বা World Meteorological Organization (WMO) জানিয়েছে, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব অংশে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে পারে। এই পূর্বাভাস আগের শক্তিশালী El Niño ঘটনাগুলির তুলনায় অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

El Niño হল El Niño-Southern Oscillation বা ENSO-র উষ্ণ পর্যায়। প্রশান্ত মহাসাগরের জল অস্বাভাবিকভাবে উষ্ণ হয়ে উঠলে তার প্রভাব পড়ে বিশ্বজুড়ে বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত এবং তাপমাত্রার উপর। এর ফলে কোনও অঞ্চলে দেখা দিতে পারে তীব্র খরা, আবার অন্য কোথাও হতে পারে অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টি ও বন্যা। বিশ্বের বিভিন্ন অংশে চরম আবহাওয়ার প্রবণতাও বাড়তে পারে।
আবহাওয়াবিদ রায়ান মাউয়ের প্রকাশ করা একটি জলবায়ু মানচিত্রে বিশ্বের বিস্তীর্ণ অংশকে লাল রঙে দেখা যায়। তাঁর মতে, শীতকাল পর্যন্ত El Niño অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থায় থাকতে পারে এবং এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় উষ্ণতা বাড়তে পারে। আরও এক জলবায়ু বিশেষজ্ঞ জেকে হাউসফাদারও দাবি করেছেন, চলতি El Niño নজিরবিহীন মাত্রার দিকে এগোচ্ছে। অন্যদিকে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ লিওন সিমন্স এই পরিস্থিতিকে ‘Super-Duper El Niño’ বলে উল্লেখ করেছেন।
WMO-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই El Niño ফেব্রুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ১০০ শতাংশ। সংস্থার মতে, এটি ১৯৫০ সালের পর অন্যতম শক্তিশালী El Niño হয়ে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, El Niño-র সঙ্গে মানুষের তৈরি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব যুক্ত হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তাপপ্রবাহ, খরা, অতিবৃষ্টি এবং অন্যান্য চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে।
ভারতের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব নজরে রাখার মতো। ভারতের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়ে El Niño আরও শক্তিশালী পর্যায়ে পৌঁছতে পারে। তবে ভারতের আবহাওয়ার উপর এর নির্দিষ্ট প্রভাব আরও কয়েকটি সমুদ্র-বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।