দিল্লি আর হরিয়ানা শীতের ইনিংসে হারিয়ে দিল শিমলাকে, গুরুগ্রামের পারদ নেমেছে ০ ডিগ্রিতে
মঙ্গলবার প্রবল শীত দিল্লিতে। তাপমাত্রার নিরিখে দিল্লি আর হরিয়ানার গুরুগ্রাম পিছনে ফেলে দিল সিমলারে। মঙ্গলবার দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর হরিয়ানার গুরুগ্রামের তাপমাত্রা প্রায় শূন্য ডিগ্রিতে পৌঁছেছে।

শীতে কাঁপছে ভারত
প্রবল ঠান্ডা শুধু এই রাজ্যে নয়। লা নিনার খামখেয়ালিপনায় শীতের মরশুমে কাঁপছে উত্তর ও পশ্চিম ভারত। মধ্য ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকাতেও জাঁকিয়ে শীত পড়েছে এবার। সব মিলিয়ে বলা যেতে পারে দক্ষিণের রাজ্যগুলি বাদ দিয়ে গোটা ভারতই কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে।
জাতীয় রাজধানীর আবহাওয়া
মঙ্গলবার প্রবল শীত দিল্লিতে। তাপমাত্রার নিরিখে দিল্লি আর হরিয়ানার গুরুগ্রাম পিছনে ফেলে দিল সিমলারে। মঙ্গলবার দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর হরিয়ানার গুরুগ্রামের তাপমাত্রা প্রায় শূন্য ডিগ্রিতে পৌঁছেছে। কারণ শিমলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মুসৌরির তাপমাত্রা ৭.৭ ডিগ্রি।
উত্তর ভারতে জাঁকিয়ে শীত
ডিসেম্বর মাসের শেষ থেকেই উত্তর ভারতে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। পশ্চিম হিমালয়ের হাঁড় কাঁপানো কনকনে ঠান্ডা হাওয়া অনবরত ঢুকছে। যার কারণে শীতের প্রকোপ বাড়ছে উত্তর ও পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে। হুহু করে নামছে তাপমাত্রা। তার সঙ্গে চলছে শৈত্য প্রবাহ। দিল্লিতে গত চার দিন ধরেই তাপমাত্রার পারদ ৪ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। রবিবার তাপমাত্রা ছিল ৩ ডিগ্রির নিচে। হরিয়ানা আর পঞ্জাবে জারি রয়েছে শৈত্য প্রবাহ। গুরুগ্রামের তাপমাত্রা মঙ্গলবার শূন্য ডিগ্রিতে নেমে গিয়েছিল। গত ৫০ বছর এমন শীত পড়েনি গুরুগ্রামে।
কেন এই শোচনীয় পরিস্থিতি?
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এই জাতীয় হাড় কাঁপানো শীতর কারণ হিমলায়ের পশ্চিমি ঝঞ্ঝা। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঠান্ডা হাওয়া সমতলে ঢুকছে। তার জেরেই জানুয়ারির শুরু থেকে পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত হচ্ছে। উত্তুরে হাওয়া বিনা বাধায় প্রবেশ করেছে। যার কারণে দিল্লি আর গুরুগ্রামের মত এলাকায় রেকর্ড ভাঙা শীত পড়েছে।
পাহাড়ে তুলনায় কম শীতের কারণ
পাহাড়়ি এলাকায় বিশেষ করে শৈল শহরগুলির আকাশ থাকছে মেঘলা। যার কারণে সেভাবে ঠান্ডা পড়ছে। যার জেরে সমতলের সঙ্গে পাহাড়ের তাপমাত্রার ফারাক থেকে যাচ্ছে। সমতলের তাপমাত্রা হুহু করে নামলেও পাহাড়ের তাপমাত্রা প্রায় স্থির থেকে যাচ্ছে।

