নয়াদিল্লি ও আশেপাশের অঞ্চলে যেমন ঠান্ডা পড়ে তেমনই গরমও পড়ে। তবে এবারের গ্রীষ্মে যে চরমভাবাপন্ন আবহাওয়া দেখা যাচ্ছে তা অতীতে কখনও দেখা যায়নি।

দিল্লির ইতিহাসে নথিবদ্ধ হওয়া সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দেখা গেল বুধবার। এদিন দিল্লির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছে গেল ৫২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এদিন দিল্লির মুঙ্গেশপুরে ৫২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা দেখা যায়। মৌসম ভবনের পক্ষ থেকে এই খবর জানানো হয়েছে। দিল্লির ইতিহাসে এর আগে কখনও এত গরম পড়েনি। তবে এদিনই দিল্লি-এনসিআর অঞ্চল, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের একাংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসের পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। প্রতি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে বাতাস বইতে পারে। তবে তাতে গরম খুব একটা কমার কথা নয়। কারণ, হাল্কা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ইতিমধ্যেই দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। ঝমঝম করে বৃষ্টি নামলে স্বস্তি পেতে পারেন স্থানীয়রা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বিদ্যুতের চাহিদা তুঙ্গে

দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে মারাত্মক গরমের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য বেশিরভাগ বাসিন্দাই এসি-কুলার চালাচ্ছেন। বৈদ্যুতিন পাখাও সবসময় চালাতে হচ্ছে। এর ফলে বিদ্যুতের চাহিদাও মারাত্মক বেড়ে গিয়েছে। বুধবার দিল্লিতে বিদ্যুতের চাহিদা ৮,৩০২ মেগাওয়াটে পৌঁছে গিয়েছে। দিল্লির ইতিহাসে প্রথমবার বিদ্যুতের চাহিদা ৮,৩০০ মেগাওয়াট পেরিয়ে গিয়েছে। বিদ্যুৎ বণ্টনকারী সংস্থাগুলির অনুমান ছিল, সর্বাধিক ৮,২০০ মেগাওয়াটের মতো চাহিদা হতে পারে। কিন্তু বিদ্যুতের চাহিদা তার চেয়েও বেশি। ফলে বিদ্যুৎ সরবহারকারী সংস্থাগুলির উপর চাপ বাড়ছে।

দিল্লিতে জলের সঙ্কট

দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে জলের সঙ্কটও তৈরি হয়েছে। বর্ষা না আসা পর্যন্ত জলের সঙ্কট চলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দিল্লি জল বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেউ জল নষ্ট করলেই ২,০০০ টাকা জরিমানা করা হবে। পান, স্নান বা অন্যান্য প্রয়োজনের জন্য ব্যবহৃত জল দিয়ে গাড়ি ধোয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জল নিয়ে কড়াকড়ি করা হচ্ছে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

আরও পড়ুন-

Monsoon: সক্রিয় হচ্ছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু, ১৯৬১ সালের পর এই প্রথম দুই শহরে একযোগে ভাসবে

রেমাল পালাতেই গরমের দাপট! আরও বাড়বে তাপমাত্রা, অস্বস্তি কাটিয়ে বঙ্গে বর্ষা নামবে কবে?

Viral Video: যেন জীবন্ত দৈত্য! স্থলভাগে আছড়ে পড়ার আগে রেমালের রূপ দেখলে ভয়ে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাবে