Wedding From Prison:বিয়ে করতে চান বন্দি। সেই কারণেই জামিনের আবেদন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক কয়েদি। নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত থাকার অনুমতি চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানান তিনি।

Wedding From Prison: বিয়ে করতে চান বন্দি। সেই কারণেই জামিনের আবেদন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক কয়েদি। নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত থাকার অনুমতি চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানান তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই আর্জি খারিজ করে দিল দেশের শীর্ষ আদালত। তবে পুরো বিষয়টিকে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখেই এক অভিনব পথও বাতলে দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, শুধুমাত্র বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বা অস্থায়ী মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জামিন নয়, ভার্চুয়াল বিয়ে

তবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা সেই কয়েদির আবেদনের ভিত্তিতে বলেন, প্রযুক্তির যুগে ভার্চুয়াল মাধ্যমেই বন্দি তাঁর বিয়ের অনুষ্ঠান দেখতে পারবেন। সেই মতো জেল থেকেই লাইভ স্ট্রিমিং বা ভিডিও কলের মাধ্যমে বিয়ের অনুষ্ঠান দেখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে ওই বন্দিকে। শুধু তাই নয়, বিয়ের আনন্দ যাতে একেবারে মাটি না হয়, সেই কারণেই আদালত জানায়, বিয়ের অনুষ্ঠানের মিষ্টিও জেলে পাঠানো যেতে পারে। ফলে জেলের ভিতরেই নিজের মতো করে বিয়ের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারবেন ওই বন্দি। তবে বিয়ের জন্য জামিন কোনওভাবেই মিলবে না এমন কথাও সাফ জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

কী বলছেন আইন বিশেষজ্ঞরা

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বন্দিদের তরফে জামিন বা প্যারোলের আবেদন নতুন নয়। তবে সব ক্ষেত্রেই আদালত অনুমতি দেয় না। এই মামলাতেও আদালত আইনি অবস্থান বজায় রেখেই মানবিক সমাধানের পথ খুঁজেছে। সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণ ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই আদালতের এই সিদ্ধান্তকে বাস্তবসম্মত এবং সহানুভূতিশীল বলে মনে করছেন। প্রযুক্তির সাহায্যে বন্দিদের গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক মুহূর্তের সঙ্গে যুক্ত রাখার এই ভাবনা নজর কেড়েছে বহু মানুষের। আইনজীবীদের একাংশের মতে, এই ঘটনা দেখিয়ে দিল যে আধুনিক বিচারব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার ক্রমশ বাড়ছে। একই সঙ্গে আদালতও চেষ্টা করছে আইন ও মানবিকতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে।