রাঁচির বাসিন্দা এক মহিলা, আয়ুষী সিং, অভিযোগ করেছেন যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে খাবার খাওয়ার পর তাঁর মারাত্মক অ্যালার্জি হয় এবং তাঁর দুই বছরের সন্তানের ডায়রিয়া শুরু হয়।

রাঁচির বাসিন্দা আয়ুষী সিং নামে এক মহিলা বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে খাবার খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ জানান যে, ট্রেনে খাবার খাওয়ার পর তাঁর মারাত্মক অ্যালার্জি শুরু হয় এবং তাঁর দুই বছরের সন্তানের ডায়রিয়া হয়। সিং তাঁর পোস্টে লিখেছেন যে তিনি ২৭ মার্চ বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (ট্রেন নম্বর ২২৫০০) E1 কোচে ভ্রমণ করছিলেন। তিনি এই অ্যালার্জিকে 'প্রাণঘাতী' হতে পারত বলে বর্ণনা করে কর্তৃপক্ষকে দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেন। তাঁর দাবির সমর্থনে, তিনি নিজের দুটি ছবি এবং রাঁচির 'মা রাম পেয়ারি সুপারস্পেশালিটি হসপিটাল'-এর একটি প্রেসক্রিপশনও পোস্ট করেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সিং ট্রেনে দেওয়া খাবারের মান এবং কর্মীদের উদাসীন মনোভাবেরও নিন্দা করেন। অন্য একটি পোস্টে তিনি যোগ করেন, "বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের খাবার অত্যন্ত নিম্নমানের ছিল এবং কর্মীরা অভিযোগের বিষয়ে উদাসীন ছিলেন। বন্দে ভারত ২২৫০০-এ খাবার খাওয়ার পর আমার গুরুতর অ্যালার্জির জন্য এটি আমার ডাক্তারি প্রেসক্রিপশন।"

দেখুন সেই ভাইরাল পোস্ট

Scroll to load tweet…

মহিলা আরও জানান যে ট্রেনে দেওয়া জলের স্বাদও অন্যরকম ছিল, যা পরিচ্ছন্নতা এবং সুরক্ষার মান নিয়ে তাঁর উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তোলে।

IRCTC-র জবাব

Scroll to load tweet…

এর জবাবে, ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন (IRCTC) তাঁর পোস্টের উত্তরে জানায়, "ট্রেন নম্বর ২২৫০০ বিএসবি-ডিজিএইচআর বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (কোচ E1) ২৭.০৩.২০২৬ তারিখের দুপুরের খাবার পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং তা সন্তোষজনক পাওয়া গেছে। ওই দিন খাবারের গুণমান, পরিচ্ছন্নতা বা সুরক্ষা সংক্রান্ত অন্য কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি।"

এই ঘটনাটি বিলাসবহুল ট্রেনে অনবোর্ড খাবারের পরিষেবা নিয়ে যাত্রীদের অভিজ্ঞতার দিকে নজর কেড়েছে। যদিও IRCTC দাবি করেছে যে সেই দিনের খাবারের মান ঠিক ছিল, কিন্তু ওই মহিলার পোস্ট একটি ভিন্ন ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছে।

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে একটি আধুনিক এবং দ্রুতগতির ট্রেন পরিষেবা হিসেবে প্রচার করা হয়, যেখানে যাত্রীদের আরামের জন্য বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। তবে, এই ঘটনা যাত্রীদের অভিযোগের দ্রুত সমাধান এবং খাবারের সুরক্ষার মান বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়।