অর্থনৈতিক উন্নতির হিসেবে পাকিস্থান-ভারতকে পিছনে রেখে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। দক্ষিণ এশিয়ার নতুন তারকা-র তকমা জিতে নিল ওপার বাংলা। দেশের মোট আয়কে জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে যে গড় হয়, সেই হিসেবে ভারত এবং পাকিস্থানের থেকে অনেকখানি এগিয়ে বাংলাদেশ।

 

 

আরও পড়ুন, অপেক্ষা শেষ, আজই ছুটি বুদ্ধদেবের 

ভারত অবশ্য বাংলাদেশের এই সাফল্য খোলা মনে মেনে নিতে নারাজ। বিজেপির অভিযোগ, বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ ঘটেই চলেছে। যদিও অর্থনীতির ক্ষেত্রে এই অভিযোগ অপ্রাসঙ্গিক বলেই মত অনেকের। যদিও তাতে কিছু তথ্য বদলাচ্ছে না । সংবাদ সংস্থা ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, বাংলাদেশের উন্নয়ন তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। যথাক্রমে রপ্তানি, সামাজিক অগ্রগতি এবং আর্থিক সংযম। ঢাকার রপ্তানি ২০১১ থেকে ২০১৯ এর মধ্য়ে প্রতি বছর ৮.৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে বিশ্বে রপ্তানি, সামাজিক অগ্রগতি এবং আর্থিক সংযম। ঢাকার ২০১১ থেকে ২০১৯ এর মধ্যে প্রতি বছর ৮.৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে বিশ্বে রপ্তানি বৃদ্ধির গড় হার ছিল ০.৮ শতাংশ। এই সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ পোশাকের মতো ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দেওয়া। যেখানে বাংলাদেশের তুলনামূলক সুবিধা রয়েছে।

আরও পড়ুন, 'ভ্যাকসিন অন হুইলস', করোনা মোকাবিলায় একাধিক নয়া উদ্য়োগ কলকাতা পুরসভার 

 

 


অপরদিকে বাংলাদেশে মোট শ্রমিক সংখ্যায় মহিলাদের অংশীদারি ধারাবহিকভাবে বাড়ছে। এই ক্ষেত্রে ঠিক উল্টো ছবি ভারত পাকিস্থানে। দুই দেশেরই মহিলা শ্রমিকের সংখ্যা কমেছে বলে জানা গিয়েছে। উৎপাদনে যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঢাকার ঋণ এবং আয়ের অনুপাত দিল্লি এবং ইসলামাবাদরের চেয়ে অনেকখানি কম। এই অনুপাতকে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশের মধ্যে বেঁধে রাখতে পেরেছে বাংলাদেশ। সেই জায়গায় ভারত এবং পাকিস্থানে এই অনুপাত প্রায় ৯০ শতাংশ।এছাড়া বাংলাদেশের আর্থিক নীতির কারণে ঋণ এবং লগ্নি-দুই ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণ ভালো রয়েছে। যারও প্রভাবও অর্থনীতিতে পড়েছে বলে অনুমান।