- Home
- World News
- Bangladesh News
- পদ্মাপাড়ে ভোটে অশান্তি এড়াতে কী পদক্ষেপ ইউনূসের? অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে একগুচ্ছ দাবি সংখ্যালঘুদের
পদ্মাপাড়ে ভোটে অশান্তি এড়াতে কী পদক্ষেপ ইউনূসের? অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে একগুচ্ছ দাবি সংখ্যালঘুদের
Bangladesh Election 2026: ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে ততই উত্তাপ বাড়ছে পদ্মাপাড়ের পরিস্থিতির। বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের আগে শঙ্কিত সেদেশের সংখ্যালঘুরা। কী বলছেন তারা? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

বাংলাদেশে বেজে গিয়েছে ভোটের দামামা
২০২৪ সালের ৮ অগাস্ট আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেত্রী তথা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর নানা টালবাহানায় কেটে গিয়েছে একবছরেরও বেশি সময়। অবশেষে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ১২ তারিখ সেদেশে হতে চলেছে সাধারণ নির্বাচনের অনুষ্ঠান। তবে দেশে ভোটের আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান শুরুর আগে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে সেই আর্জিই জানিয়েছেন সংখ্যালঘু হিন্দুরা।
ইউনূসের কাছে কী দাবি সংখ্যালঘুদের?
সূত্রের খবর, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন তার জন্য সেদেশের সংখ্যালঘুদের মিলিত মঞ্চ অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে মোট সাত দফা দাবি জানিয়েছে। যাতে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত থাকে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার এমনই সাতদফা দাবি তুলে সরকারের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন তারা।
কী কী বলা হয়েছে ওই দাবিপত্রে?
বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন। ভোটের সময় যাতে সেদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু-বৌদ্ধ, খ্রিস্ট্রানরা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন সেই আর্জিই জানানো হয়েছে সংখ্যালঘুদের ঐক্য পরিষদের তরফে। কারণ, শেখ হাসিনা বিদায়ের পর থেকে বাংলাদেশে একের পর এক সংখ্যালঘু আক্রমণের অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতে এবার যে কোনও ধরনের অশান্তি এড়াতে আগেভাগে সরকারকে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা রক্ষায় একগুচ্ছ দাবিপত্র ঐক্যপরিষদের।
সাতদফা দাবি কী কী?
বাংলাদেশি সংখ্যালঘুদের এই সাতদফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ধর্মীয় এবং জাতিগত সংখ্যালঘুরা যেন ভোটের প্রচারে সমান সুযোগ পান, সেই পরিবেশ তৈরি নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে।
ভোটের প্রচারে ধর্ম এবং সাম্প্রদায়িকতাকে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করতে হবে। কোনও দল বা প্রার্থী এমন করলে, শাস্তিমূলক পদক্ষেপের ব্যবস্থা করতে হবে কমিশনকে।
সংখ্যালঘু এবং আদিবাসীরা যাতে নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন— তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে সেনা মোতায়েন করে সংখ্যালঘু এবং আদিবাসীদের নিরাপত্তা দিতে হবে।
সাতদফা দাবি কী কী?
ভোটের আগে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে চিহ্নিত করতে হবে। সেখানে পুলিশের পাশাপাশি, সেনা, র্যাব এবং বিজিবির নিয়মিত টহলদারির ব্যবস্থা করতে হবে।
কমিশন সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার জন্য কী কী পদক্ষেপ করছে, তা জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীদের জানিয়ে দিতে হবে। রেডিয়ো এবং টেলিভিশনেও তা প্রচার করতে হবে।
সব ধরনের ধর্মীয় উপাসনাস্থলে নির্বাচনী প্রচারের জন্য ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করতে হবে। এছাড়াও কোনও প্রার্থী ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক বিবৃতি দিলে বা গুজব ছড়ালে, তাঁর প্রার্থিপদ বাতিল করতে হবে এবং আইনি পদক্ষেপ করতে হবে।

