Bangladesh Hindu Businessman: বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু যুবককে হত্যা করা হচ্ছে। বিভিন্ন পেশায় থাকা হিন্দু ব্যক্তিদের নিশানা করা হচ্ছে। এবার এক হিন্দু ব্যবসায়ীর মৃত্যু হল। এই ঘটনায় বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা বাড়ছে।

DID YOU
KNOW
?
বাংলাদেশে হিন্দু নিধন
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক হিন্দুর উপর হামলা চালানো হচ্ছে। পুলিশ-প্রশাসন সংখ্যালঘুদের রক্ষা করার জন্য কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

Bangladesh News: বাংলাদেশে ফের হিংসার বলি এক হিন্দু ব্যক্তি। ৩১ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ন'টা নাগাদ শরিয়তপুর (Shariatpur) জেলার ডামুড্যা উপজেলার (Damudya Upazila) কনেশ্বর ইউনিয়নের তিলই অঞ্চলে হিন্দু ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসকে (Khokon Chandra Das) ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার পর তাঁর গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় মৌলবাদীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় ৫০ বছর বয়সি এই ওষুধ ব্যবসায়ীকে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করে শরিয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় (Dhaka) পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসার পরেও শনিবার সকাল সাতটা বেজে ২০ মিনিটে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে (National Institute of Burn and Plastic Surgery Dhaka) খোকনের মৃত্যু হয়েছে।

ঠিকমতো চিকিৎসা হয়েছিল?

ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, 'শরিয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় খোকন দাস আগুনে জখম হয়েছিলেন। আজ সকাল সাতটা বেজে ২০ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।' চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খোকনের শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তাঁর মুখেও বেশ কিছু আঘাত লেগেছিল। তাঁর শ্বাসযন্ত্রেও আঘাত লেগেছিল। এত আঘাত সহ্য করতে না পেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

শোকস্তব্ধ খোকনের পরিবার

খোকনের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি পেশায় একজন ওষুধ বিক্রেতা ছিলেন। এছাড়া একটি মোবাইল ব্যাঙ্কিং প্রতিষ্ঠানের এজেন্ট হিসেবেও কাজ করতেন। ডামুড্যার কেউরভাঙ্গা বাজারে ওষুধের ব্যবসায়ী এবং গ্রাম্য চিকিৎসক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন খোকন। বুধবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছলে তিন থেকে চার জন তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে এবং সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। তিনি হামলাকারীদের চিনে ফেলায় তারা দেহের বিভিন্ন অংশে ও মুখে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এরপর তারা পালিয়ে যায়। খোকনের মৃত্যু হওয়ার পরেও হামলাকারীদের কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। ফলে বাংলাদেশের হিন্দুদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।