কথায় আছে পাপের সাজা পেতেই হবে, তা সে দেরি হলেও-- বাংলা এই প্রবাদ বাক্যটি অনেকটাই সত্যি হল সুদূর জার্মানিতে। প্রায় ৭৬ বছর আগে করা পাপের সাজা হিসেবে ৯৩ বছরের এক বৃদ্ধকে দোষী সাব্যস্ত করেছে জার্মান আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে দু বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশেও দিয়েছে।  আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এটি ছিল নাৎসি জার্মানির কনসেন্ট্রশন ক্যাম্পের শেষ অপরাধের বিচার। 

হামবুর্গের আদালত জানিয়েছেন দোষী সাব্যস্ত হওয়া ব্রুনো ডি পোল্যান্ডের গজানক্সের কাছে একটি নাৎসি কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের প্রহরীর দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৪৪ অগাস্ট থেকে ১৯৪৫এর এপ্রিল পর্যন্ত ওই দায়িত্বে ছিলেন তিনি। সেই সময় ৫২৩২ জনকে হত্যার কাজে সাহায্য করেছিলেন। মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই ছিল ইহুদি। ওই ক্যাম্পে প্রায় ৬৫ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল বলেই অনুমান করা হয়। 

৯৩ বছরের বৃদ্ধি ক্যাম্পে তাঁর উপস্থিতির কথা স্বীকার করে নিয়েছিলেন। পাশাপাশি জানিয়েছিলেন সেই সময় তাঁর বয়স ছিল ১৭-১৮। চলতে সপ্তাহের শুরুতেই জার্মান আদালত তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণ করে। ব্রুনো ডি দুর্ভোগকারী আর ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। আসামীর বয়স আর স্বাস্থ্যের কথা বিচার করে বিচার প্রক্রিয়া প্রতিদিন ২-৩ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আদালতের পক্ষে থেকেই আগেই জানান হয়েছিল বার্ধক্যজনিত কারণে সন্দেহভাজনদের সংখ্যা অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু ২০১১ সাল থেকেই নাৎসি শিবিরে হওয়া আপরাধগুলিপ বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। 

সুপ্রিম কোর্টেও স্বস্তি শচীন পাইলট শিবিরের, গণতন্ত্রে বিরুদ্ধ কণ্ঠস্বর রোধ করা যায় না বলল আদালত ...

রাম মন্দিরে লুকিয়ে রয়েছে করোনার প্রাণ, নির্মাণ শুরুর সঙ্গেই জীবাণু ধ্বংসের নিদান বিজেপি নেতার ...

চিনা অগ্রাসনের রুখতে শক্তিশালী হচ্ছে রাফাল, হ্যামার ক্ষপণাস্ত্রে সাজছে ফরাসি যুদ্ধ বিমান ...

ব্রুনো ডি-র মামলা শুরু হয়েছিল অক্টোরবে। ফ্রান্স, ইজরায়েল, পোল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৪০ জনেরও বেশি মানুষ কনসেন্ট্রশন ক্যাম্পের প্রহরীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। একটি সূত্র জানাচ্ছে সেই সাক্ষ্য গ্রহণ পর্বে আবারও উঠে এসেছিল নাৎসি ক্যাম্পগুলিতে চলতে থাকা ভয়ঙ্কর অত্যাচারের ছবি।