সোমবার রাতে পুর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চিন-ভারত সংঘর্ষে ভারতের ২০ জন সেনা সদস্য শহিদ হয়েছেন। বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের শুরুতে তিনি স্পষ্ট করে দেন, এই উস্কানিমূলক হামলার জন্য চিনে বড় মূল্য চোকাতে হবে। ভারত-চিন উত্তেজনা নিয়ে শি জিনপিং এখনও মুখ না খুললেও, প্রধানমন্ত্রী মোদীর এদিনের বক্তব্য ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দিল। ভারত-চিনের মতো অন্যতম দুই বিশ্ব-শক্তির এই দ্বন্দ্ব সাড়া ফেলে দিল বিশ্বে। উদ্বেগ প্রকাশ করল ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন। আর প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তার পরই ভারত ও চিনের বিদেশমন্ত্রী ফোনে কথা বললেন দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে।

এদিন চিনকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হুঁশিয়ারির পরই ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পক্ষ থেকে ইইউ-এর বিদেশ এবং সুরক্ষা নীতি বিষয়ক মুখপাত্র ভার্জিনি বাট্টু-হেনরিকসন বলেন, 'ভারত ও চিনের মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সাম্প্রতিক উদ্বেগজনক পরিস্থিতির আলোকে আমরা উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শন করতে এবং সামরিক উত্তেজনা হ্রাস অব্যাহত রাখতে আলোচনা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করছি।'

অপরদিকে এদিন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর কড়া বার্তার পরই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে ফোন করলেন চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইয়ি। লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় অন্তত ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যু ও বেশ বহু সেনার আহত হওয়ার ঘচনা নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা হয়। পূর্ব লাদাখের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এর আগে বলেন, চিনা সেনাবাহিনীকে যথাযথ প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভারতীয় সেনার সাহসীরা শহীদ হয়েছেন। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) উদ্বেগজনক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে প্রধানমন্ত্রীকে ১৯ জুন একটি সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন। শুক্রবার বিকাল ৫টায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সভাপতিরা বৈঠকে অংশ নেবেন।