করোনার কারণে বিভিন্ন দেশে লকডাউন  ফলে সর্বোত্রই কমছে বায়ু দূষণের মাত্রা এবার তার সুফলই পেল কাঠমান্ডু কাঠমান্ডু ভ্যালি থেরে দেখা গেল এভারেস্ট

সব অসম্ভবকেই যেন সম্ভব করে তুলছে করোনাভাইরাস। একদিকে এর দাপটে মানবজাতি যেমন দিশেহারা, তেমনি প্রকৃতি ফিরে পাচ্ছে নিজের প্রাণ। সোমবার থেকে ভারতে শুরু হয়েছে চতুর্থ দফার লকডাউন। প্রায় ২ মাস হতে চলল লকডাউনের কারণে বিশেষ কিছু ট্রেন ও বিমান ছাড়া বন্ধ রয়েছে দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থা। ফলে গোটা দেশেই দূষণের মাত্রা অনেকটাই কমে গিয়েছে। আর তার ফলেই গত কয়েকদিনে পঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের নানা জায়গা থেকে হিমালয় দর্শন করা গেছে। এবার শিকে ছিঁড়ল কাঠমান্ডুবাসীর। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ভারতের প্রতিবেশী দেশ নেপালেও গোটা বিশ্বের মত থাবা বসিয়েছে করোনাভাইরাস। দেশটিতে এখনও পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ২৯৫। করোনা প্রাণ কেড়েছে ২ জনের। পরিস্থিতি সামল দিতে নেপালেও লকডাউন জারি করতে হয়েছে। তারফলে নেপালেও কমেছে বায়ু দূষণের পরিমাণ। আর তাতেই এভারেস্ট থেকে ২০০ কিমি দূরে কাঠমান্ডু ভ্যালি থেকে বহু বছর বাদে দেখতে পাওয়া গেলো পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টকে।

Scroll to load tweet…

নেপালি টাইমসের চিত্রসাংবাদিক অভিভূষণ গৌতম গত সপ্তাহের শুরুতে কাঠমান্ডু ভ্যালির ছোবর থেকে এভারেস্টের বেশ কিছু ছবি তুলেছিলেন। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। যেখানে ২০০ কিমি দূর থেকেই ছবিতে ধবল সুন্দর এভারেস্টের চিত্র স্পষ্ট ধরা পড়েছে।

করোনাভাইরাসে এবার ঝুঁকির মুখে ছোটরাও, আশঙ্ক প্রকাশ 'হু'-র, নিউইয়র্কে দেখা মিলল বিরল উপসর্গের

করোনা আক্রান্ত ইউরোপে পথ দেখাল এই দেশ, মহামারীর সমাপ্তি ঘোষণা করল স্লোভেনিয়া

মাত্র ৩ মিনিটের ভিডিও কল, কাজ হারালেন ৩,৭০০ উবার কর্মী

এই ছবিগুলিতে এভারেস্ট সহ বাকি শৃঙ্গগুলির নামও অভিভূষণ লিখে দিয়েছেন। ছবিতে বাকি শৃঙ্গের সঙ্গে এভারেস্টকে কিছুটা ছোটই মনে হচ্ছে। সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, এভারেস্ট আসলে মাউন্ট কং নাচুগো এবং মাউন্ট চৌবুটসের আড়ালে ঢাকা পরে রয়েছে।

Scroll to load tweet…

এর আগে ভারতের বিহারের একটি গ্রাম, উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর ও পঞ্জাবের জলন্ধর থেকেও এভারেস্টের ছবি দেখতে পাওয়া গিয়েছিল, দাবি করেছিলেন নেটিজেনরা। সেই ছবিগুলিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লকডাউনে যানবাহন এবং কলকারখানা বন্ধ থাকায় বাতাসের দূষণ অনেকটাই কমে গিয়েছে। শুদ্ধ হয়েছে বায়ুমন্ডলও। যদিও নেপালি টাইমসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গাড়ি চলাচলে বর্তমানে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকলেও নেপালের বায়ু মোটেই স্বচ্ছ হয়নি। কারণ, পার্শ্ববর্তী এলাকার বন পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। যদিও এপ্রিলের থেকে মে মাসে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। আর তাতেই এবার কাঠমান্ডু দেশে দর্শন মিলছে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের।