১১ এপ্রিল শেষবার প্রকাশ্যে এসেছিলেন উত্তর কোরিয়ার দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা কিম জং উন। তারপর থেকে তাঁকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। ১৬ এপ্রিল তাঁর দাদু তথা দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাতা কিম ইল-এর জন্মদিনের অনুষ্ঠানেও কিমের অনুপস্থিতিতে শোরগোল পড়ে যায়। তারপর থেকে জল্পনা বাড়তে থাকেই। একটি সূত্র দাবি করে কিমের মৃত্যু হয়েছে। অন্য একটি সূত্র বলে হার্ট অপারেশনের পর কিম গুরুতর অসুস্থ। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে মুখ খুলল কিমের প্রতিবেশী তথা প্রতিদ্বন্দী রাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়া। 

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন-র জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা  মুন চ্যাং-ইন জানিছেন বর্তমানে কিম সুস্থ আছেন । আর বেঁচে বর্তেই আছেন তিনি। তবে তিনি রয়েছেন রিসর্ট শহর উনসানে। সেখানেই অবশ্য পৈত্রিক বাড়ি রয়েছে কিমের। এই এলাকার একটি স্টেশনও কিমের পরিবারের জন্য বরাদ্দ করা রয়েছে। আর সেই স্টশনে কিমের নিজস্ব ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকার স্যাটেলাইট ইমেজ গতকালই সামনে এসেছিল। 

দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আরও জানিয়েছেন গত ১৩ এপ্রিল থেকেই কিম রয়েছে উনসানে। তবে এখনও পর্যন্তে তাঁরা কিমের কোনও সন্দেহভাজন গতিবিধি দেখতে পাননি। দক্ষিণ কোরিয়া, হংকংসহ বেশ কয়েকটি দেশের সংবাদ মাধ্যম কিমের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করলেও সিওল প্রশাসন আগেই জানিয়ে দিয়েছিল তাঁদের কাছে তেমন কোনও খবর নেই। পাশাপাশি কিম যে অসুস্থ হয়েছে সে বিষয় ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিল মুনের প্রশাসন। 

আরও পড়ুনঃ ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক থেকে কিমের দাম্পত্য, দেখুন উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্র প্রধানের বর্ণময় জীবনের ছবি ...

আরও পড়ুনঃ কিমের ট্রেন গিয়েছিল উনসানে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত বেপাত্তা উত্তর কোরিয়ার প্রধান ...
 
সূত্রের খবর উনসনের পর্যটন শ্রমিকদের নাকি ধন্যবাদ জানিয়েছে একটি বিবৃতি দিয়েছেন কিম জং উন। তবে সেই বিবৃতিতে কিমের কোনও ছবি ব্যবহার করা হয়নি। একটি সূত্রের খবর কাডিও ভ্যাসকুলার হার্ট সার্জারি হয়েছিল কিমের। তারপর থেকেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন কিম। চিন থেকে চিকিৎসক ও মেডিক্যাল সরঞ্জামও পাঠান হয়। তবে চিনও এখনও কিমকে নিয়ে মুখ খোলেনি। তবে অনেকেই মনে করছে ধীরে ধীরে সেরে উঠছেন কিম জং উন।