'একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এগিয়ে যেতে হবে' - পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর চোখে চোখ রেখে জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার বিহার বিধানসভা নির্বাচন ও অন্যান্য রাজ্যের উপনির্বাচনের ফলাফলের মধ্যেই, সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে সংস্থায় (এসসিও) যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আলোচনার বিষয় ছিল অর্থনীতির উপর কোভিড-এর প্রতিকূল প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়, সন্ত্রাসবাদের ক্রমবর্ধমান হুমকি-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক বিষয়।

আরও পড়ুন - Live Results Update- ধাক্কা সামলিয়ে এগিয়ে চলেছে এনডিএ, মহাজোট পেতে পারে ১০০ আসন

আরো পড়ুন - বিহার নির্বাচন গণনা- এনডিএ ১২৯, মহাজোট ১০৩, অন্যান্য ১১

আরো পড়ুন - ২০৩০-এ বিহার হবে ইউরোপ, নীতিশ-তেজস্বীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে এই লন্ডন ফেরত যুবতীও

সেখানেই প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তান ও চিনের নাম না করে তাদের সতর্ক করে বলেন, কয়েকটি দেশ দ্বিপাক্ষিক বিষয়কে এই ফোরামেরর মঞ্চে আলোচনার বিষয় করতে চাইছে। এটা ঠিক নয় এবং এসসিও-র নিয়ম বিরুদ্ধও বটে। তিনি আরও জানান, এসসিও সদস্য দেশগুলির সঙ্গে ভারতের দৃঢ় সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু, এই সম্পর্ককে এঘিয়ে নিয়ে যেতে গেলে একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা রাখা দরকার। বর্তমানে বহুপক্ষীয়তাকেই বৈশ্বিক বাস্তবতা বলে মেনে নিতে হবে। সব স্টেকহোল্ডারদের প্রত্যাশা পূরণ, সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ এবং মানব কল্যাণের মতো বিষয়গুলি নিয়ে এসসিও সদস্য দেশগুলির পূর্ণ সমর্থন প্রত্যাশা করে ভারত।

এদিনের ভার্চুয়াল সম্মেলনে চিনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ছাড়া রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, এসসিও-র সেক্রেটারি-জেনারেল রশিদ আলিমভ ছাড়াও এসসিওর অন্যান্য সদস্য দেশগুলির রাষ্ট্রনেতারা এবং পর্যবেক্ষক চার রাষ্ট্রের নেতারা অংশ নেন। এদিন আরও একবার প্রধানমন্ত্রী কোভি়ড সংকট মোকাবিলায় গোটা বিশ্বকে ভ্যাকসিনের জোগান দিয়ে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেন।