আত্মরক্ষার হাতিয়ার মজুত করতে চাইছে তাইওয়ান। পাশে চাইছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে।

ক্রমশ বাড়ছে চিনের চোখরাঙানি(growing threat from China)। এই পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার হাতিয়ার মজুত করতে চাইছে তাইওয়ান (Taiwan)। পাশে চাইছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে(United States)। তাইপেইতে পূর্ব চুক্তি মতো এফ ১৬ ফাইটার জেট(US-made F-16 jets) যাতে দ্রুত সরবরাহ করা হয়, তার আর্জি জানাল তাইওয়ান। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন তাইওয়ানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনা করেছেন। কীভাবে দ্রুততার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই যুদ্ধবিমান পাঠানো যায়, তার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২২টি যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল ২০১৯ সালে। কিন্তু তাইওয়ান চাইছে সেই বরাতের গতিবৃদ্ধি হোক। মূলত এফ ১৬ ফাইটার জেট পাঠাতে ১০ বছরের সময় চেয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে চিনা উস্কানিতে অত দেরী করতে চাইছে না তাইওয়ান বলে মার্কিন প্রশাসন সূত্রের খবর। 

২০২০ সালের আগস্টে, তাইওয়ান আনুষ্ঠানিকভাবে লকহিড মার্টিন কর্পোরেশনের নির্মিত সর্বশেষ মডেলের এফ -১৬ জেটগুলির মধ্যে ৬৬টি যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। বেজিং এই পদক্ষেপের নিন্দা জানায়। চুক্তি সম্পর্কে বিশদ বিবরণ দেওয়ার সময়, তাইওয়ান জানিয়েছিল যে এফ -১৬গুলি নরথ্রপ গ্রুমম্যান কর্পোরেশন তৈরি করবে। এগুলিতে থাকবে ফায়ার কন্ট্রোল রাডার। 

এদিকে, পয়লা অক্টোবর থেকে চিন এবং তাইওয়ানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৭২ তম বার্ষিকী উদযাপনের দিন চিন তাইওয়ানের এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোনে ১০০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান উড়িয়েছিল। এরপরেই তৈরি হয় হামলার আশঙ্কা। এদিকে, যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে চিনও। পারমাণবিক অস্ত্রযুক্ত হাইপারসনিক মিসাইলের পরীক্ষা করেছে বেজিং। 

সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিন অগাস্টে এই পরীক্ষাটি করেছিল। কিন্তু তার বিস্তারিত তথ্য অক্টোবর মাসে প্রকাশ করা হয়েছে। হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলি শব্দের গতির চেয়ে দ্রুত আক্রমণ করার ক্ষমতা রাখে। নতুন রিপোর্ট অনুযায়ী, চিনের এই পরীক্ষা ব্যর্থ হয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে চিন একটি পারমাণবিক অস্ত্রযুক্ত হাইপারসনিক মিসাইল পরীক্ষা করে। এই মিসাইল গোটা বিশ্ব একবার পাক খায়। নিজের লক্ষ্যের দিকে দ্রুত গতিতে যাওয়ার আগে বিশ্বজুড়ে প্রদক্ষিণ করে চিনের মিসাইল বলে সূত্রের খবর। এই মিসাইল পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের উদ্ধৃতি দিয়ে ফিনান্সিয়াল টাইমস শনিবার এই তথ্য প্রকাশ করে।