সারা বিশ্বে মহামারীর আকার নিয়েছে করোনাভাইরাস। প্রতিদিন কেড়ে নিচ্ছে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ। এর মধ্যে মার্কিন একদল বিজ্ঞানী আশার আলো দেখালেন। তাঁদের দাবি, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, সূর্যের আলো ও আর্দ্রতায় দ্রুত মরে যায় করোনাভাইরাস।

হোয়াইট হাউসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা উইলিয়াম ব্রায়ান এই গবেষণার ফলাফল নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখও খোলেন। তিনি দাবি করনে,  বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, অতিবেগুনি রশ্মি প্যাথোজেনের ওপর প্রভাব ফেলছে। ব্রায়ান বলেন, ‘আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো, সূর্যের আলো করোনাভাইরাসের ওপর পড়লে তা দ্রুত মরে যায়। কোনো বস্তুর ওপর কিংবা বাতাসে ভাসলেও সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এলে করোনাভাইরাস মরে যায়। আর্দ্রতার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।’

আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩ লক্ষ ছাড়াল, মহামারীর বিশ্বে মিরাকল ঘটিয়ে এখনও সংক্রমণ মুক্ত ৩৩টি দেশে

উহানের ভাইরোলজির ল্যাবেই করোনার উৎপত্তি, গোয়েন্দা রিপোর্টে রয়েছে প্রমাণ, দাবি ট্রাম্পের

সফল হল না প্লাজমা থেরাপির প্রয়োগ, বাণিজ্যনগরীতে মারাই গেলেন চিকিৎসারত করোনা রোগী

গবেষকরা করোনা ঠেকাতে সূর্যের আলো নিয়ে গবেষণা করলেও ইতিমধ্যে ইন্দোনেশিয়ায় শুরু হয়ে গিয়েছে রোদ থেরাপি। করোনা থেরে রক্ষা পেতে দেশটির বহু মানুষকে এখন খোলা মাঠে খালি গায়ে সূর্যের তাপ নিতে দেখা যাচ্ছে। সূর্যের আলোতে থাকা ভিটামিন ডি করোনাকে মেরে ফেলবে বলেই সেখানকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। 

ইন্দোনেশিয়ার চিকিৎসকার অবশ্য রোদ থেরাপি নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। জাকার্তার ওএমএনআই পুলোমাস হাসপাতালের চিকিৎসক দিরগা শক্তি রাম্বে জানান, 'সূর্যের আলো শরীরে ভিটামিন ডি পাওয়ার জন্য সহায়ক। কিন্তু এটি সরাসরি রোগ প্রতিরোধ করে না। মাছ, ডিম, দুধ ও সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কিন্তু সূর্যস্নান কোভিড-১৯ রোগের ভাইরাসকে মারতে পারে না।’