মার্কিন মুলুক করোনা সংক্রমণে জেরবার। এখনও পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে আট লক্ষেরও বেশি। মারা গিয়েছেন কমপক্ষে ৪৭ হাজার মানুষ। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা নিউইয়র্কের। আধুনিক এই  শহরে অব্যাহত মৃত্যু মিছিল। এর মধ্যে আমেরিকায় এবার গৃহপালিত প্রাণীর দেহেও মিলল করোনা সংক্রমণের প্রমাণ। নিউ ইয়র্কে দুটি পোষ্য বিড়ালের দেহে এই ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে।

গৃহপালিত পশুর দেহে এবার সংক্রমণের খবর ছড়াতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে মার্কিন মুলুকে। তবে মার্কিন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ডাঃ  অ্যান্থনি ফাউসি বলেছেন, এখনই ভয় পাওয়ার কিছু নেই, কারণ গৃহপালিত প্রাণী থেকে ভাইরাসটি মানুষের দেহে ছড়াচ্ছে এমন কোনও প্রমাণ এখনও মেলেনি। 

করোনার এবার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া শুরু চিনে, ফরসা থেকে কালো হয়ে গেলেন ২ চিকিৎসক

আশা জাগিয়ে সিডনিতে খুলল সমুদ্র সৈকত, অ্যাডিলেইডের রাজপথে খেলায় ব্যস্ত ক্যাঙ্গারু

ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেল ব্রিটেন, শুরু হচ্ছে মানবদেহে প্রয়োগ

বিশ্ব জুড়ে মহামারীর আকার নেওয়া করোনাভাইরাসে প্রাণী আক্রান্ত হওয়ার খবর অবশ্য নতুন নয়। গত মাসে নিউ ইয়র্কের ব্রুনক্স চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের চিড়িয়াখানার পাঁচটি বাঘ ও তিনটি সিংহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। পশুগুলির দেখভালে যে ব্যক্তি নিয়োজিত ছিলেন তার থেকেই ভাইরাসটি ছড়িয়েছে বলে আশঙ্কা করা হয়। এছাড়া হংকংয়ে ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর তার পোষ্য কুকুরটিও আক্রান্ত হয়। যদিও  পরে কুকুরটি ভাইরাস মুক্ত হলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে কিছুদিনের মধ্যেই কুকুরটির মৃত্যু হয়। যদিও মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট নয়। এছাড়া সেখানে আরও একটি জার্মান শেফার্ড কুকুর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সেটিকেও কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়।

নিউ ইয়র্কের বিড়াল দুটি কীভাবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে সেসম্পর্কে এখনও  নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, বাড়ি বা আশেপাশের আক্রান্ত মানুষের সংস্পর্শে আসার পর এগুলোর মধ্যে ভাইরাস সংক্রমিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) জানিয়েছে, বিড়াল দুটির শ্বাসপ্রশ্বাসে সামান্য সমস্যা রয়েছে। আশা করা হচ্ছে,  প্রাণী দুটি শীঘ্রই  সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে।