ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর, বিশেষজ্ঞরা ভারতের অবস্থান মজবুত হওয়ার আশা করছেন, বিশেষ করে বাংলাদেশ ইস্যুতে। ট্রাম্প প্রশাসন অনুপ্রবেশ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকার ৪৭ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। শপথ নেওয়ার পর তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

দ্বিতীয়বার শপথ নিয়ে একাধিক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। অনুপ্রবেশ বন্ধ নিয়ে ইতিমধ্যেই দিলেন কড়া বার্তা। তেমনই বাংলাদেশ ইস্যুতে ভারতের অবস্থান আপও মজবুত হবে বলেই আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শপথ নিয়ে ফুল অ্যাকশন মোডে ডোনাল্ড ট্রাম্প। শপথের পরেই জানালের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে মেক্সিকো সীমান্তে দেওয়াল তুলবেন। সেই সঙ্গে আমেরিকা-মেক্সিকো সীমান্তে এমার্জেন্সি ঘোষণা করে সেখানে সেখা পাঠানোর কথাও বলেছেন। বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে ফেরত পাঠানোর কথাও জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এখন প্রশ্ন উঠেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ভারতের ওপর কী প্রভাব পড়তে চলেছে। নির্বাচনের আগে ও শপথের পরে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন তাঁর লক্ষ্য আমেরিকা ফার্স্ট।

তবে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদেও ওপর নির্যাতন নিয়ে ভারতের পাশে আছেন বলে আগেই জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে ভারতের অবস্থান মজবুত হবে বলে মনে করছেন সকলে।

ভারত সব বিভিন্ন দেশের ওপর বাণিজ্য ক্ষেত্রে শুল্কও কি বাড়ানোর পথে হাঁটবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প? দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে একাধিক ভারতীয় বংশোদ্ভুতকে দায়িত্ব দিয়েছেন ট্রাম্প। ট্রাম্প ২.০ সরকারে জায়গা করে নিয়েছে হরমিত কউর, ঢিলোঁ, বিবেক রামাস্বামী, কাশ প্যাটেল, জয় ভট্টাচার্য এবং শ্রীরাম কৃষ্ণনরা।

অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। বিপুর সংখ্যক ভারতীয় মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি সেক্টরে কার করেন। তারা H-1B ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান। ডোনাল ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে H-1B ভিসা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন। এবারও কি সেই অবস্থান বজায় রাখবেন তিনি? নাকি ভারতের কথা ভেবে নরম হবে? এই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।