সমুদ্রে নেমেছিলেন দুই নারী। আচমকা তাদের হস্তচালিত ছোট নৌযান কায়াকটি  তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। বিপদে পড়ে যান তারা। দূর থেকে এই দৃশ্য দেখে জলে নেমে পড়েন মার্সেলো রেবেলো ডি সুসা। যিনি আবার স্বয়ং পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট।

আরও পড়ুন: যোগী আদিত্যনাথের পাশে প্লেট ভর্তি মাংস, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবি ঘিরে শোরগোল উত্তরপ্রদেশে

পর্যটনের ওপর প্রবলভাবে নির্ভরশীল পর্তুগালের অর্থনীতি। করোনাভাইরাসের মহামারীর কারণে পর্যটন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে দেশটির। সেকারণে আলগার্ভ সৈকতে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সেখানে ছুটি কাটাতে গেছেন স্বয়ং প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো ডি সুসা। সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ শেষ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই সৈকতের অদূরে দুই নারীকে ডুবে যেতে দেখতে পান তিনি। কাল বিলম্ব করেননি ৭১ বছরের প্রেসিডেন্ট। নিজের প্রাণের চিন্তা না করে সোজা ঝাঁপ দেন জলে। 

আরও পড়ুন: করোনা আবহে নিষিদ্ধ ছিল কাজ, অবশেষে ৪ মাস পার করে খুললো বার্লিনের বিখ্যাত যৌনপল্লী

সম্প্রতি পর্তুগালের প্রেসিডেন্টের সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পড়ার সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো ডি সুসা যখন সাঁতার কেটে তাদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন ততক্ষণে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছেন অপর এক ব্যক্তি। কিছুক্ষণের মধ্যেই জেট স্কি নিয়ে পৌঁছান অপর এক ব্যক্তি। পরে সেই ব্যক্তিই ছোট নৌকাটিকে তীরে ঠেলে এগিয়ে দেন।

 

 

উদ্ধারে অংশ নেওয়ার পর পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো ডি সুসা সাংবাদিকদের বলেন, ‘পশ্চিমমুখী তীব্র স্রোত থাকায় ওই দুই মহিলা  ছিটকে পড়েন,  কায়াকটি উল্টে গিয়ে প্রচুর জল গিলে ফেলেন তারা, ছোট নৌকাটিকেও ফের সোজা করতে পারছিলেন না দু'জনে, না পারছিলেন তাতে চড়ে বসতে। স্রোত এতটা তীব্র ছিল যে সাঁতারও কাটতে পারছিলেন না।’ ভবিষ্যতে সতর্ক থাকতে ওই দুই  নারীকে পরামর্শ দেন তিনি।