কমবেশি বিশ্বের সবকটি দেশেই প্রভাব বিস্তার করেছে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ। গত চার মাস ধরে বিশ্ববাসী ক্রমাগত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে বিশ্বে ২৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মত্যু হয়েছে ১ লক্ষেরও বেশি মানুষের। এই অবস্থায় স্বাভিবকভাবে প্রশ্ন জাগে কবে শেষ হবে করোনার এই তাণ্ডব। তার উত্তর দিতে গিয়ে একটুও আশার আলো দেখালেন না বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান ট্রেড্রস আধনান ঘেব্রেয়েসুস। তিনি বলেন এখনও লড়াইয়ের অনেকটাই বাকি রয়েছে। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের কথায় এখনও অনেক দিন ধরেই গোটা বিশ্ব জুড়ে তাণ্ডব চালিয়ে যাবে করোনাভাইরাস। তাই পরিস্থিতি আয়ত্বে রাখতে সবকটি দেশকেই চূড়ান্তভাবে সতর্ক করেছেন তাঁরা। পাশাপাশি আরও জানিয়েছেন সামান্যতম ভূল করলেও বড় মূল্য দিতে হবে। 
জানুয়ারি মাসে প্রথম চিনেই এই জীবাণুর সংক্রমণ প্রথম দেখা গিয়েছিল। তারপর থেকে কেটে গেছে চার মাস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের কথায় এখনও বেশ কয়েকটি দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রথামিক পর্বে রয়েছে । পাশাপাশি সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন, তাঁরা সঠিক সময়ই সবকটি দেশকে সতর্ক করেছিলেন। কিছু দেশ তার সুফল ভোগ করছে বলেও দাবি করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।  

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের কথায় আফ্রিকার দেশগুলিতে সবে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। সোমালিয়ায় ক্রমশই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। তাই প্রত্যেকটি দেশকে সতর্ক করা হয়েছে। সংক্রমণ রুখতে কী কী করনীয় তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

আরও পড়ুনঃ লকডাউনের 'সুফল' ভারতের বাতাসে কমছে এরোসলের মাত্রা, জানিয়েছে নাসা ...

আরও পড়ুনঃ 'সাম্প্রদায়িক জীবাণু' ছড়াচ্ছে বিজেপি, করোনার সংক্রমণ নিয়ে বিজেপিকে তোপ সনিয়ার ...

আরও পড়ুনঃ লকডাউনে বদলে যাওয়া শহরের ইতিকথা, বাণিজ্য নগরীতে বিকশিত প্রকৃতি ...

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে এই মুহূর্তে ভ্রমণ বন্ধ রাখার পক্ষেই সওয়াল করা হয়েছে। জানান হয়েছে আরও কয়েক দিন বিশ্বের অধিকাংশ দেশ যদি উড়ান পরিষেবা বন্ধ রাখে তাহলে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ দেশই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে লকডাউনের পথে হেঁটেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে একটি কোনও এককালীন সমস্যা নয়। এই ভাইরাসকে সঙ্গে নিয়েই আমাদের পথ চলতে হবে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশগুলিকে অন্য রাস্তা বার করতে হবে।  যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার করা জরুরী।