আন্দামান সাগরে একটি ট্রলার ডুবে প্রায় ২৫০ জন যাত্রী নিখোঁজ হয়েছেন, যাদের মধ্যে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নাগরিক ছিল। মালয়েশিয়াগামী এই জাহাজটি বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে যাত্রা শুরু করেছিল এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ডুবে যায়। 

আন্দামান সাগরে ট্রলার ডুবির ঘটনা এল প্রকাশ্যে। এই ঘটনায় অন্তত ২৫০ জন নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। তাঁগের প্রায় সকলেরই মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা। এই নিয়ে শোক প্রকাশ করার সঙ্গে উদ্বেগের কথাও জানিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জানা গিয়েছে, মহিলা-শিশু সহ ২৫০ জন যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের টেকনাফ থেকে যাত্রা শুরু করে মালয়েশিয়ার দিকে যাচ্ছিল জাহাজটি। আন্দামান সাগরের কাছে সেটি জুবে যায়। মঙ্গলবার প্রকাশ্যে আসে এই খবর। জানাজানি হতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার সংক্রান্ত সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসব সংস্থা শোক প্রকাশ করেছে।

জানা গিয়েছে, অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের টেকনাফ থেকে যাত্রা শুরু করে মালয়েশিয়ার দিকে যাচ্ছিল জাহাজটি। প্রতিকূল আবহাওয়া, তীব্র বাতাস, উত্তাল সমুজ্রের কারণে ট্রলারটি ডুবে যায়। বাংলাদেশের কোস্ট গার্ড নামে উদ্ধার কাজে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মাত্র ৯ জনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। বাকি সকলের মৃত্য হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, এখন বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে মনবিক সহায়তা কমে যাচ্ছে। ক্যাম্পের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অভাব। তেমনই মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে ওই বাসিন্দাদের। এই কারণে ওই ক্যাম্পে থাকা মানুষ নিরাপাত্তা ও সুযোগের আশায় এমন বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রাকরে থাকে। বিদেশে ভালো বেতনের আশা এবং পাচারকারীদের ভুল তথ্য মানুষকে বিশাল ঝুঁকি নিতে প্রলুব্ধ করে। এর ফলেই বিপজ্জনক সমুদ্র যাত্রায় মৃত্যু হচ্ছে তাদের।

এদিকে এই ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল এবং উপকূলরক্ষী বাহিনী তৎপর হয়েছে। তবে উত্তাল সমুদ্র ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজ ব্যহত হচ্ছে পদে পদে। তাই এখন ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। চলছে উদ্ধার কাজ। ই ঘটনায় অন্তত ২৫০ জন নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। তাঁগের প্রায় সকলেরই মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা।