
Bangladesh: একের পর এক বিক্ষোভ, ভাঙচুর! পোশাকশ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে উত্তাল বাংলাদেশ!
Bangladesh: বাংলাদেশে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে উত্তাল গাজীপুর! ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে অবরোধে অচল ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক। ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের পুনর্নিয়োগ ও কালো তালিকা প্রথা বন্ধের দাবিতেও চলছে আন্দোলন।
Bangladesh: ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে উত্তাল বাংলাদেশ, অবরোধে অচল ঢাকা–টাঙ্গাইল জাতীয়সড়ক
বাংলাদেশে ফের নতুন করে শ্রমিক বিক্ষোভ। ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রবিবার গাজীপুরে রাস্তায় নামলেন পোশাকশ্রমিকেরা। তাঁদের বিক্ষোভ ও অবরোধের জেরে বন্ধ হয়ে যায় গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক। পরিস্থিতি ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে।
শুধু বেতন বৃদ্ধি নয়, ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের পুনর্নিয়োগ এবং শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্ত করা বন্ধ করার দাবিও তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। গত প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছেন রেডিমেড গার্মেন্টস বা তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকেরা। সাম্প্রতিক সময়ে সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুরের মতো ঘটনাও সামনে এসেছে বলে বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমের দাবি।
শ্রমিক অসন্তোষ সামাল দিতে নতুন মজুরি বোর্ড
ক্রমবর্ধমান শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যেই নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এই বোর্ডে শ্রমিক, মালিক এবং সরকারের প্রতিনিধিরা থাকবেন। তিন পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন মজুরি নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর শ্রম মন্ত্রণালয়ের গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চূড়ান্ত মজুরি এবং তা কার্যকরের সময়সীমা ঘোষণা করা হবে। ডিসেম্বরের মধ্যেই গোটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
শেষবার কবে বেড়েছিল পোশাকশ্রমিকদের মজুরি?
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি বাড়িয়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছিল। আগে সাধারণত পাঁচ বছর অন্তর মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা হত। তবে গত এপ্রিলে শ্রম আইন সংশোধনের মাধ্যমে সেই সময়সীমা কমিয়ে তিন বছর করা হয়েছে।
এখন দেখার, ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন মজুরি বোর্ড কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং তাতে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে চলতে থাকা শ্রমিক অসন্তোষ কতটা প্রশমিত হয়।