Bangladesh price hike: দুবেলা পেট ভরা ভাত খেতে মুখের রক্ত উঠে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের। বাজারে নিয়ে আগুন দামে হাত জ্বলছে বাংলাদেশিদের। মূল্যবৃদ্ধিতে পাকিস্তানকে টেক্কা বাংলাদেশের। 

হাসিনা জমানা শেষ হয়েছে আগেই। মহম্মদ ইউনুসের জমানাও শেষ হয়ে গেছে। নির্বাচিত সরকার বাংলাদেশে। কিন্তু তাতেও স্বস্তি নেই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের। দুবেলা পেট ভরা ভাত খেতে মুখের রক্ত উঠে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের। বাজারে নিয়ে আগুন দামে হাত জ্বলছে বাংলাদেশিদের। এই অবস্থায় মাছ-মাংস ছেড়়ে সবজিপাতি খেয়ে যে পেট ভরাবে তারও উপায় নেই। কারণ ঢাকার বাজারে সাধারণ সবজির বড়ই আকাল। আর যা পাওয়া যাচ্ছে তাতে হাত দিতে গেলেই দামের ছ্যাঁকা লাগছে আম জনতার হাতে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বাংলাদেশের খাদ্যের দাম আকাশ ছোঁয়া

পাকিস্তানের সঙ্গে এখন বাংলাদেশের দুর্দান্ত সম্পর্ক। কোনও কোনও ক্ষেত্রে ভারতকে ছাপিয়ে বাংলাদেশের মানুষ পাকিস্তানের পক্ষ নেয়। এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধিতে এবার বাংলাদেশ পাকিস্তানকেও টেক্কা দিতে পারে। তেমনই ছবি ধরা পড়েছে ঢাকার বাজারে।

বাংলাদেশে খাদ্য দ্রব্যের দাম

বর্তমান বাংলাদেশে সোনালি মুরগির দাম কিলোপ্রতি ২৩০-২৬০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা। মাঝারি আকারের রুই মাছের দাম ৩৫০ টাকা কিলো। আর একটি বড় রুই মাছ বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৪৫০ টাকা কিলো দরে। সবমিলিয়ে আমিষ বাজারে গিয়ে রীতিমত হাত পুড়ছে বাংলাদেশিদের।

গত বছরের তুলনায় এবার তেলাপিয়া, পাঙাশ , চিংড়ি মাছের দাম অনেকটাই বেশি। আর সরবরাহ অনেক কম।

সবজি বাজার

এবার এক নজরে দেখেনিন সবজি বাজার। পেঁপে কিলো ৮০ টাকা। গাজর আর সাধারণ কিছু সবজি পাওয়া যাচ্ছে। তবে তারও পরিমান খুবই কম। যোগান কম থাকায় দাম আকাশ ছোঁয়া। বাজারে এখন প্রতি কেজি পটোল ও ঢ্যাঁড়স ৬০ থেকে ৮০ টাকা, সিম ও সজিনা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, বরবটি, করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা ও কাঁকরোল ১২০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে কম রয়েছে কাঁচা লঙ্কা ও পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি কাঁচা লঙ্কা ৮০ থেকে ১০০ টাকা ও পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

তেল কিনতে মাথায় হাত

বাংলাদেশে বিশেষত রাজধানী ঢাকার একাধিক বাজারেই সোয়াবিন তেলের বোতলের সরবরাহ নেই। ৫ লিটারের কয়েকটি বোতল পাওয়া যাচ্ছে। আধ লিটার বা ১ লিটারের তেলের বোতল দোকান থেকে উধাও। আর যেখানে সোয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে সেখানে সরকার নির্ধারিত দামের থেকে ২০-৩০ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে। কোনও কোনও জায়গায় খুরচো তেলও বিক্রি হচ্ছে নির্ধারিত দামের তুলনায় অনেক বেশিতে।

এখন সরকার নির্ধারিত এক লিটার বোতলজাত তেলের দাম ১৯৫ টাকা। অন্যদিকে, খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৭৬ টাকা ও পাম তেলের নির্ধারিত দাম ১৬৪ টাকা। তবে বাজারে খোলা সয়াবিন ২০০ থেকে ২১০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আর পাম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়।

খাবার জিনিসের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। কিন্তু হাসিনা আমলের নৈরাজ্যের পর থেকে বাংলাদেশে কাজের বাজার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আয় বাড়েনি আম-বাংলাদেশিদের। আর সেই কারণেই খাবার কিনতেই চোখে জল আসছে সাধারণ মানুষের।