Chile Earthquake:চিলিতে আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মাটি। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৬.৯, এই ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে। দীর্ঘ প্রায় ২০ সেকেন্ডের বেশি সময় ধরে চলা এই কম্পনে এক মুহূর্তে বদলে যায় আতঙ্কিত জনজীবন।
Chile Earthquake:চিলিতে আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মাটি। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৬.৯, এই ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে। দীর্ঘ প্রায় ২০ সেকেন্ডের বেশি সময় ধরে চলা এই কম্পনে এক মুহূর্তে বদলে যায় আতঙ্কিত জনজীবন। আচমকা এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে বহু মানুষ বাড়ি ও অফিস থেকে বেরিয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, চিলির একটি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে এই কম্পনের উৎপত্তি হয়। প্রশান্ত মহাসাগরের "রিং অফ ফায়ার"-এর অংশ হওয়ায় দেশটি এমন ভূমিকম্পের জন্য বরাবরই ঝুঁকিপূর্ণ। ৬.৫ মাত্রার এই ভূমিকম্পকে শক্তিশালী হিসেবে ধরা হয়, যা ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

২০ সেকেন্ড ধরে চলে কাঁপুনি
প্রায় ২০ সেকেন্ডের দীর্ঘ কম্পন সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ভয় ও অস্থিরতা সৃষ্টি করে। অনেকে জানান, মাটি হঠাৎ করেই কেঁপে ওঠে এবং সেই অনুভূতি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। আতঙ্কে মানুষজন দ্রুত রাস্তায় বেরিয়ে আসেন এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। স্কুল, অফিস ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ভবনে স্বাভাবিকভাবে শুরু হয় সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া।
দেখুন ভিডিও
কোথায় উৎপত্তিস্থল
ভূবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, চিলির উত্তরে কালামা শহরের কাছে রিখটার স্কেলে ৬.৯ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল মাটির প্রায় ৮৯ কিলোমিটার গভীরে। চিলির জাতীয় ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৫২ মিনিটে ভূমিকম্পটি হয়। এর কেন্দ্র ছিল কালামা শহর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দক্ষিণে। উত্তর চিলির বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে আন্টোফাগাস্তা অঞ্চলের বিস্তীর্ণ অংশে এই কম্পন অনুভূত হয়।
ক্ষয়ক্ষতি কতটা
তবে প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের কোনও ভবন ধস বা ব্যাপক প্রাণহানির খবর মেলেনি। স্থানীয় প্রশাসন সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখছে এবং উদ্ধার ও জরুরি পরিষেবা সংস্থাগুলিকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ভূমিকম্পের পর আফটারশকের সম্ভাবনা থাকে, তাই নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল, চিলি পৃথিবীর অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে যেকোনও সময় বড় ধরনের ভূমিকম্প ঘটতে পারে। ভূমিকম্প মোকাবিলার প্রস্তুতি ও জনসচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাও নতুন করে সামনে এসেছে।


