এই মর্মে ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্সের পক্ষ থেকে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে গাজার সন্ত্রাস দলের পক্ষ থেকেই ভুল বসত একটি রকেট লঞ্চ করা হয় যা গাজা শহরের আল-আহলি ব্যাপ্টিস্ট হাসপাতালে বিস্ফোরণ ঘটে।

ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন সংঘর্ষের মাঝেই গাজার হাসপাতালে বোমা হামলার মর্মান্তিক ঘটনা। তবে প্রাথমিকভাবে এই হামলার জন্য ইজরায়েলকে দায়ী করা হলেও, গাজার হাসপাতালে বিস্ফোরণের অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইজরায়েল। উপরোন্তু গোটা ঘটনার জন্য ইসলামিক জিহাদকেই দায়ী করছে তারা। এই মর্মে ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্সের পক্ষ থেকে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে গাজার সন্ত্রাস দলের পক্ষ থেকেই ভুল বসত একটি রকেট লঞ্চ করা হয় যা গাজা শহরের আল-আহলি ব্যাপ্টিস্ট হাসপাতালে বিস্ফোরণ ঘটে। বুধবারই নিজেদের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট (পূর্বতন টুইটার) থেকে ভিডিও গুলি শেয়ার করেছে আইডিএফ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এই প্রসঙ্গে আইডিএফ-এর মুখপাত্র, রিয়ার অ্যাড. ড্যানিয়েল হাগারি বলেছেন, তথ্য বিশ্লেষণ ও অন্যান্য প্রমাণ থেকে জানা যাচ্ছে যখন ঘটনাটি ঘটে ঠিক তার আগেই গাজার ওই হাসপাতালের পাশ্ববর্তী এলাকা থেকেই রকেট ফায়ার করা হয়েছিল যার ফলে বিস্ফোরণটি ঘটেছে। মূলত ইসলামিক জিহাদকেই এই ঘটনার জন্য দায়ী করছে আইডিএফ।

Scroll to load tweet…

প্রায় ১০ দিন হতে চলল যুদ্ধের। গাজায় বাড়ছে ঘরছাড়া মানুষের কান্না। হামলার ভয় অনেকেই বাড়িঘর ছেড়ে হাসপাতালে আশ্রয় নিয়েছিল অনেকেই। তবে রক্ষা মিলল না সেখানেও। জানা যাচ্ছে গাজার হাসপা ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে রয়েছেন এখনও অনেকে। এই হামলা প্রসঙ্গে ইজ়রায়েলের সামরিক মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি সাংবাদিকদের,'বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিচ্ছি আমরা। কিছু ক্ষণ আগেই হামলাটি হয়েছে।'

Scroll to load tweet…

প্রসঙ্গত, ইজরায়েলকে সাহায্য করতে তাদের যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে আমেরিকা। রবিবার অর্থাৎ ৮ অক্টোবর রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ নির্দেশ দেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন নৌবাহিনীর 'ফোর্ড ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ'কে ইজরায়েলকে সহায়তা করতে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া এ এলাকায় আমেরিকান ফাইটার প্লেনের টহলও বাড়ানো হচ্ছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন বলেছেন যে ইউএসএস জেরাল্ড আর. ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ক্রুজার এবং ডেস্ট্রয়ারের সাথে ৫ হাজার নৌ কর্মী এবং যুদ্ধ বিমানও ইজরায়েলকে সাহায্য করার জন্য পাঠানো হচ্ছে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো হামাসের কাছে অতিরিক্ত অস্ত্র যাতে পৌঁছাতে না পারে তা পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রতিরোধ করা।