- Home
- World News
- International News
- Climate Change Crisis: ২০০৮ সাল থেকে রোজ আছড়ে পড়ছে তাপপ্রবাহ! পৃথিবীর কী হচ্ছে?
Climate Change Crisis: ২০০৮ সাল থেকে রোজ আছড়ে পড়ছে তাপপ্রবাহ! পৃথিবীর কী হচ্ছে?
নেপাল ও অসমে আমরা ভয়াবহ হড়পা বান দেখেছি। হিমালয়ের বরফ গলা নিয়ে বিজ্ঞানীরা অনেক আগে থেকেই সতর্ক করে আসছেন। বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই মারাত্মক প্রভাবগুলোই এখন আমাদের চোখের সামনে ফুটে উঠছে।

গত দু'দশক ধরে পৃথিবীতে অদ্ভুত সব বদল ঘটছে। দূষণের জেরে জল, স্থল ও বাতাস মারাত্মকভাবে তেতে উঠছে। সম্প্রতি নেপাল ও অসমে আমরা ভয়াবহ হড়পা বান দেখেছি। হিমালয়ের বরফ গলা নিয়ে বিজ্ঞানীরা অনেক আগে থেকেই সতর্ক করে আসছেন। বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই মারাত্মক প্রভাবগুলোই এখন আমাদের চোখের সামনে ফুটে উঠছে।

এই পরিস্থিতি কিন্তু একদিনে তৈরি হয়নি। ২০০৮ সালের ৬ জুলাই থেকে পৃথিবীর বুকে প্রতিদিন অন্তত একটি করে তাপপ্রবাহ বা হিটওয়েভ তৈরি হচ্ছে। টানা ১৮ বছর ধরে এই ধারা অব্যাহত। জলবায়ু পরিবর্তনের এই ভয়ংকর গতি দেখলে বোঝাই যায়, আগামী দিনে মানুষের টিকে থাকাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে।
গোটা ভারত জুড়েই এবার বর্ষার ঘাটতি। ভরা বর্ষাতেও পানীয় জলের হাহাকার আর গ্রীষ্মের মতো কাঠফাটা রোদ। শুধু শহরের তাপমাত্রা বাড়ছে তা নয়, গোটা পৃথিবীই দ্রুত তেতে উঠছে। সমুদ্রের জল ফুটছে, দ্রুত গলছে হিমালয়ের বরফ।
জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে রাতের তাপমাত্রাও আর কমছে না। ফলে শরীর ঠান্ডা হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না, বাড়ছে হার্টের অসুখের ঝুঁকি। জীবাশ্ম জ্বালানি, কয়লা ও তেলের যথেচ্ছ ব্যবহার এবং জঙ্গল কাটার ফলেই এই বিপদ। গ্রিনহাউস গ্যাসের কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা যে হারে বাড়ছে, তা নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন বিজ্ঞানীরা।
বেঙ্গালুরুর মতো মহানগরীগুলো যত বাড়ছে, উন্নয়নের নামে তত গাছ কাটা পড়ছে। গাছের জায়গা নিচ্ছে কংক্রিটের জঙ্গল। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গাড়ি, যার জেরে রাতেও গরম কমছে না। সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন বয়স্ক ও শিশুরা।
বৃষ্টির অভাবে মাঠেই শুকিয়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। দেখা দিচ্ছে খাদ্যাভাব, হু হু করে বাড়ছে দাম। একদিকে খাবার নেই, অন্যদিকে শুকিয়ে যাচ্ছে জলের উৎস। সব মিলিয়ে জীবন একেবারে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
গত দু'দশক ধরে পৃথিবী দ্রুত বদলাচ্ছে। আমরা যদি এখনও সতর্ক না হই, কার্বন নির্গমন না কমাই এবং গাছ না লাগাই, তবে বিপদ নিশ্চিত। পরিবেশবান্ধব শক্তির ব্যবহার এবং টেকসই উন্নয়নের দিকে নজর না দিলে, আর কয়েক বছরের মধ্যেই এই পৃথিবীতে মানুষের বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।








