HSBC Layoffs 2026 বিশ্বজুড়ে বড়সড় কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটতে পারে ব্রিটিশ ব্যাঙ্কিং সংস্থা 'এইচএসবিসি' (HSBC Holdings)। আগামী ৩ বছরের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার কর্মীর চাকরি সঙ্কটে পড়তে পারে, যা মোট কর্মীসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ।

HSBC Layoffs 2026: বিশ্বজুড়ে বড়সড় কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটতে পারে ব্রিটিশ ব্যাঙ্কিং সংস্থা 'এইচএসবিসি' (HSBC Holdings)। HSBC-র অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনায় উঠে এসেছে, আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার কর্মীর চাকরি সঙ্কটে পড়তে পারে, যা মোট কর্মীসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ। সেই হিসাবে ধরলে এইএচবিসি থেকে প্রায় ২০ হাজার কর্মচারীর চাকরি যেতে চলেছে। সূত্রের খবর, কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তের মূল কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI)-এর নির্ভরতার বড়সড় রূপান্তর পরিকল্পনা। বিশেষ করে যেসব পদে সরাসরি গ্রাহক পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত নন কর্মীরা, সেই সমস্ত বিভাগেই ছাঁটাইয়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে। বিশ্বজুড়ে সংস্থার বিভিন্ন সার্ভিস সেন্টার, মধ্যম স্তরের (মিডল-অফিস) এবং ব্যাক-অফিস বিভাগগুলিতে এআই প্রযুক্তিতে জোর দিয়ে কর্মী ছাঁটাই করা হতে পারে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ।

কীভাবে হবে ছাঁটাই

ব্যাঙ্কটির শীর্ষকর্তাদের মতে, ভবিষ্যতে একঘেয়ে ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজের বড় অংশই AI-এর মাধ্যমে সফলভাবে করা সম্ভব হবে। ফলে খরচ কমানো এবং কার্যপ্রণালীকে আরও সহজ করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ। যদিও এখনও পুরো বিষয়টি প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেই জানানো হয়েছে। এছাড়া সরাসরি ছাঁটাইয়ের পাশাপাশি স্বাভাবিক অবসান, অর্থাৎ কর্মীরা নিজে থেকে চাকরি ছাড়লে বা স্বেচ্ছাবসর নিলে সেই পদে নতুন নিয়োগ না-করার পথেও কর্মীসংখ্যা কমানো হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ব্যবসা বিক্রি বা বন্ধ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।

ব্য়াঙ্কিং সেক্টরে বাড়ছে AI-র প্রভাব, বাড়ছে চাকরি যাওয়ার আশঙ্কা

২০২৪ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সংস্থার পুনর্গঠনে জোর দিচ্ছেন সিইও জর্জেস এলহেদারি। তাঁর নেতৃত্বেই আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স কেন্দ্রিক এই বড় পরিকল্পনা এগোচ্ছে। তবে এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই শেয়ারবাজারে সামান্য চাপ পড়েছে এইচএসবিসির শেয়ারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু এইচএসবিসি নয়, আগামী কয়েক বছরে গোটা বিশ্বজুড়েই ব্যাঙ্কিং সেক্টরে AI-এর প্রভাব ব্যাপকভাবে বাড়বে এবং এর জেরে লক্ষ লক্ষ চাকরি হারানোর আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে।