Iranian Drones: ওমানের সালালাহ বন্দরে ড্রোন হামলা! দাউদাউ করে জ্বলছে তেলের ট্যাঙ্ক, দেখুন ভিডিও

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে ওমানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সালালাহ বন্দরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় বন্দরের তেল রাখার ট্যাঙ্কে বিশাল আগুন লেগে যায়, যার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হামলার পর জ্বালানির ট্যাঙ্ক থেকে কুণ্ডলী পাকিয়ে কালো ধোঁয়া উঠছে। এই ঘটনা ওই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিকাঠামোর দুর্বলতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।

Scroll to load tweet…

রিপোর্ট অনুযায়ী, বন্দরকে লক্ষ্য করে একাধিক ড্রোন ছোঁড়া হয়। কয়েকটি ড্রোনকে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম রুখে দিলেও, বাকিগুলো সোজা জ্বালানির ট্যাঙ্কে গিয়ে আঘাত হানে। এরপরেই সেখানে বড়সড় আগুন লেগে যায়। যদিও এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি এবং বন্দরের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোরও কোনও ক্ষতি হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

আরব সাগরের তীরে অবস্থিত সালালাহ বন্দরটি ওমানের অন্যতম বড় এবং কৌশলগতভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বন্দর। এটি সামুদ্রিক বাণিজ্য এবং জ্বালানি সরবরাহের একটি প্রধান কেন্দ্র। এই বন্দরে কোনওরকম সমস্যা হলে আঞ্চলিক জাহাজ চলাচল এবং তেল সরবরাহে তার প্রভাব পড়তে পারে। এই ঘটনার পর জাহাজ সংস্থাগুলো উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের রুট এবং নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে।

এই ড্রোন হামলা এমন এক সময়ে হল, যখন ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। এই সংঘাতে বন্দর, তেলের পরিকাঠামো এবং জাহাজ চলাচলের রুটে ড্রোন ও মিসাইল হামলা ক্রমশ বাড়ছে।

বিভিন্ন রিপোর্টে এই হামলার জন্য ইরানের ড্রোনকে দায়ী করা হলেও, তেহরান সরাসরি জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে। তবে এই ঘটনা যুদ্ধের ময়দান থেকে দূরে গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোতে ড্রোন হামলার বিপদ নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

ওমানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই হামলার পরেও দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রয়েছে। তবে এই ধরনের হামলা চলতে থাকলে বিশ্ব বাজারে তেলের দামের ওপর তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।