Istanbul Earthquake: বুধবার ইস্তানবুলে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে অনেকেই বাড়ি থেকে লাফিয়ে পড়েন বা দ্রুত বাইরে বের হতে চেষ্টা করেন। এই ঘটনায় ১৫১ জন আহত হয়েছেন।

Istanbul Earthquake: বুধবার ইস্তানবুলে ৬.২ মাত্রার তীব্র ভূমিকম্প আঘাত হানে (Istanbul Earthquake)। এই সময় আতঙ্ক ও ভয়ে অনেকেই বাড়ি থেকে লাফিয়ে পড়েন বা দ্রুত বাইরে বের হতে চেষ্টা করেন। এই ঘটনায় ১৫১ জন আহত হয়েছেন। গভর্নর অফিস জানিয়েছে, আহতদের সবাইকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল। স্বস্তির বিষয় হলো, এখনও পর্যন্ত কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

দুপুর ৩:৩০ মিনিটে আঘাত হানে ভূমিকম্প

সিনহুয়া সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি (Istanbul Earthquake) দুপুর ৩:৩০ মিনিটে আঘাত হানে। গভর্নর অফিস আরও জানিয়েছে, পুরো শহরে শুধুমাত্র ফতিহ নামক এলাকায় একটি বাড়ির ক্ষতি হয়েছে, বাকি সব বাড়ি নিরাপদ। ভূমিকম্পের পর ইস্তানবুলে বিদ্যুৎ, জল বা গ্যাস সরবরাহে কোনও প্রভাব পড়েনি। আতঙ্কে মানুষ পার্ক এবং স্কুলের মাঠে জড়ো হন, কেউ কেউ তাঁবুও স্থাপন করেন।

তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান কী বলেছেন?

তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান একটি অনুষ্ঠানে বলেছেন, "ঈশ্বরের অশেষ কৃপায় এখন সব ঠিক আছে। ঈশ্বর আমাদের দেশকে সব বিপদ থেকে রক্ষা করুন।" রাষ্ট্রপতিকে গভর্নর ভূমিকম্পের তথ্য জানিয়েছেন। তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইয়েরলিকায়া জানিয়েছেন, ভূমিকম্পটি প্রায় ৭ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে এবং ১৩ সেকেন্ড স্থায়ী হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ইস্তানবুলের ইউরোপীয় অংশে সিলিভরি জেলার কাছে, মারমারা সাগরে প্রায় ৬.৯ কিলোমিটার গভীরে (Magnitude 6.2 Strikes)।

ফেব্রুয়ারি ২০২৩-এ আঘাত হানে ৭.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প

তুরস্কে প্রায়ই ভূমিকম্প হয় কারণ এই দেশটি দুটি বৃহৎ ভূমিকম্প ফাটলের উপর অবস্থিত। ফেব্রুয়ারি ২০২৩-এ আঘাত হানা ৭.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প এবং তার পরবর্তী ঝাঁকুনিতে ৫৩,০০০-এর বেশি মানুষ মারা যান। এই ভূমিকম্পে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কে লক্ষ লক্ষ বাড়িঘর ধসে পড়ে বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রতিবেশী দেশ সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলেও ৬,০০০-এর বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে। যদিও ইস্তানবুল এই বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছিল, তবে এটি এই উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে যে ভবিষ্যতে সেখানেও একই ধরনের ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে।