- Home
- World News
- International News
- মাসে নয়, এবার ১৫ দিন অন্তর মাইনে পাবেন সরকারি কর্মচারীরা, বড় সিদ্ধান্ত সরকারের
মাসে নয়, এবার ১৫ দিন অন্তর মাইনে পাবেন সরকারি কর্মচারীরা, বড় সিদ্ধান্ত সরকারের
সরকার সরকারি কর্মচারীদের মাসে দুইবার বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের নগদ অর্থের প্রবাহ পুনরুদ্ধারের জন্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে প্রত্যেক সরকারি কর্মচারী প্রতি ১৫ দিন অন্তর বেতন পাবেন।

সরকার সরকারি কর্মচারীদের মাসে দুইবার বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের নগদ অর্থের প্রবাহ পুনরুদ্ধারের জন্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন থেকে প্রত্যেক সরকারি কর্মচারী প্রতি ১৫ দিন অন্তর বেতন পাবেন। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ক্রমাগত সংস্কার চলছে। এই প্রেক্ষাপটে, রবিবার অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে সরকারি কর্মচারীরা এখন থেকে মাসে দুইবার বেতন পাবেন।
সংবাদ সংস্থার মতে, সরকার ১৭ই এপ্রিল এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। এখন থেকে অসামরিক কর্মচারী, পুলিশ এবং অন্যান্য কর্মীরা প্রতি ১৫ দিন অন্তর বেতন পাবেন। অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার মনে করে যে মাসে দুইবার বেতন দিলে কর্মচারীদের ব্যয় বাড়বে, যা ফলস্বরূপ বাজারে আরও অর্থ আনবে এবং তারল্য উন্নত করবে।
কর্মচারীদের বেতন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাটিও সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে। তারা বলেছে, এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নে তাদের কোনও সমস্যা নেই। নতুন সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের জন্য আইনি সংশোধনের প্রয়োজন হবে। সংবিধান অনুযায়ী প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীকে মাসের শেষে বেতন প্রদানের বিধান রয়েছে।
বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলে এই প্রথাটি খুব একটা প্রচলিত নয়; বরং সেসব জায়গায় সরকারি কর্মচারীদের বেতন সাধারণত মাসিক ভিত্তিতেই প্রদান করা হয়ে থাকে। তাছাড়া, এই বেতন-কাঠামোটি যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোর বেতন প্রদানের পদ্ধতিরই প্রতিচ্ছবি এবং আশা করা হচ্ছে যে, এটি ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে।
দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটেও ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপের মতো দেশগুলো সরকারি কর্মচারীদের জন্য মাসিক বেতন পদ্ধতিই অনুসরণ করে আসছে—যার ফলে নেপাল সরকারের এই সিদ্ধান্তটি আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে সত্যিই একটি ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
বর্তমানে যেহেতু সংসদের অধিবেশন চলছে না, তাই সরকারের হাতে এই সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকর করার লক্ষ্যে একটি 'অধ্যাদেশ' জারির বিকল্প পথটি খোলা রয়েছে।