ভারত ছাড়াও এই ভোটে অংশ নেয়নি চিন। এর পাশাপাশি রাষ্ট্রপুঞ্জের আরও ৩০ সদস্য রাশিয়ার সেনা প্রত্যাহারের ভোটে অংশ নেয়নি।

আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে, অর্থাৎ ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে আঘাত হেনেছিল রুশ বাহিনী। এক বছরেও স্তিমিত হয়নি সেই যুদ্ধ। ২০২৩ সালে এসে ইউক্রেন থেকে রাশিয়ার সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার দাবি জানিয়ে প্রস্তাব পাশ হল রাষ্ট্রপুঞ্জে। ইউক্রেনের উপর পুতিন সরকারের আগ্রাসনের উদ্যোগের আজ বর্ষপূর্তি। তার আগেই রাশিয়াকে হামলা বন্ধ করতে এবং প্রতিবেশী দেশ থেকে সেনাবাহিনীকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তাব পাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

রাষ্ট্রপুঞ্জের ১৪১ সদস্য এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে এবং ৭ সদস্য সরাসরি এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। তবে, কয়েকটি দেশ কার্যত এই ভোটাভুটির মধ্যে নাকই গলায়নি। তাদের মধ্যে একটি প্রধানতম নাম হল ভারত। তার পর রয়েছে চিন। এই দুটি দেশ সহ রাষ্ট্রপুঞ্জের মোট ৩২ সদস্য এই ভোটদান প্রক্রিয়ায় অংশই নেয়নি বলে জানা গেছে।

রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ বলেন, ‘‘ইউক্রেনের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে ভারত। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের কারণে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। মানুষের জীবনে দুর্ভোগ বেড়েছে এবং লক্ষাধিক জনতা ঘরছাড়া হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের উপর হওয়া এই হামলা ভীষণই উদ্বেগজনক।” তিনি আরও বলেন, ‘‘ভারত রাষ্ট্রপুঞ্জের সনদের নীতিগুলিকে সমর্থন করে। আমাদের দেশেও আমরা আলোচনা এবং কূটনৈতিক পদ্ধতিতে সমস্ত সমস্যার সমাধানে বিশ্বাস করি। যদিও আমাদের মনে হয় এই প্রস্তাবে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি সুরক্ষিত করার যে পন্থার কথা বলা হয়েছে, তাতে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। আর সেই কারণেই আমরা ভোটদান থেকে নিজেদের বিরত রাখছি।’’

অন্য দিকে, চিনও এই ভোটদান থেকে নিজেদের বিরত রেখে রাশিয়া এবং ইউক্রেনকে আবার নতুন করে আলোচনা শুরু করে শান্তিপূর্ণ ভাবে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধের মাঝে পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে চিন।

আরও পড়ুন-

শুরু হয়েছে CBSE-র দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা, দেশ জুড়ে পরীক্ষা দিচ্ছে ৩৮ লক্ষ ছাত্রছাত্রী
অ্যাডিনোভাইরাসের সঙ্গে মিল রয়েছে কোভিড ভাইরাসের, শিশুদের জন্য আরটি পিসিআর পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করল রাজ্য
Earthquake News: মধ্যরাতে ফের ভূমিকম্পের আঘাত, থরথর করে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ