- Home
- World News
- International News
- Man Contraceptive: এবার পুরুষের জন্য 'বিশেষ' গর্ভনিরোধক তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা, রইল ব্যবহারের উপায়
Man Contraceptive: এবার পুরুষের জন্য 'বিশেষ' গর্ভনিরোধক তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা, রইল ব্যবহারের উপায়
Contraceptive for Men: এবার পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা। তবে এতদিন ইঁদুরের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছিল। এবার মানব শরীরে প্রয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

জন্মনিয়ন্ত্রণের বিষয়
এবার জন্ম নিয়ন্ত্রণের বিষয় আর শুধুমাত্র মহিলাদের ওপর নির্ভর করে থাকবে না। তেমনই ব্যবস্থা করেছেন বিজ্ঞানী আর গবেষণকরা।
মহিলাদের জন্য সীমাবদ্ধ
এতদিন জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য ওষুধ বা ইন্জেকশন ছিল মহিলাদের জন্য। পুরুষদের জন্য শুধুমাত্র কনডোম ছিল। মহিলাদের জন্যও ছিল। কিন্তু এবার পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক তৈরি করে ফেলেছেন। এখন শুধুমাত্র সেটি প্রয়োগের অপেক্ষা।
পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক
পুরুষদের জন্য সাময়িক কোনও গর্ভনিরোধক আবিষ্কারের চেষ্টা এই প্রথম নয়। দীর্ঘ দিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা আর গবেষণা চলছিল। পরীক্ষানিরীক্ষা চলছিল।
সাইড এফেক্ট
তবে আগের পরীক্ষাগুলি তেমন কার্যকরী ছিল না। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা থেকে গিয়েছিল। পৌরুষত্বেরও স্থায়ী ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। আর সেই কারণেই সেই পরীক্ষাগুলি তেমন এগোয়েনি।
১০০% কার্যকরী
বিজ্ঞানীদের দাবি এবার তারা পুরুষদের জন্য় যে গর্ভনিরোধক তৈরি করেছেন সেটি ১০০ শতাংশ কার্যকরী। এটি পুরুষদের জন্য নিরাপদ। সাময়িক, হরমোনবিহীন। এই ব্যবস্থায় কোনও অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হবে না বলেও জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
গর্ভনিরোধকে স্থায়ী ক্ষতি হবে না!
বিজ্ঞানীদের দাবি তাদের তৈরি এই গর্ভনিরোধকে কোনও স্থায়ী ক্ষতি হবে না। তবে ১০০ শতাংশই কার্যকরী। এটি দীর্ঘ ৬ বছর ধরে ইঁদুরের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে। তাতেই বিজ্ঞানীরা দুর্দান্ত সাফল্য পেয়েছেন। এবার শুধু মানব শরীরে প্রয়োগ করার অপেক্ষায় রয়েছেন।
গবেষণাস্থল
নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরাই দীর্ঘ দিন ধরেই এই বিষয়ে গবেষণা করেছিলেন। এতদিন পরে তারা সাফল্য পেয়েছেন বলেও দাবি করেছেন।
গর্ভনিরোধকের প্রক্রিয়া
পুরুষদেহে জননকোষ বা শুক্রাণু উৎপন্ন হয় মায়োসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। এই প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে বাধা দিলে শুক্রাণুর উৎপাদন সাময়িক ভাবে ব্যাহত হয়। আলাদা করে পুরুষদেহে তার জন্য কোনও ক্ষতি হয় না।
বিজ্ঞানীদের দাবি
কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা তাঁদের গবেষণার ফল প্রকাশ করেছেন ‘প্রসিডিংস্ অফ দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস’ পত্রিকায়। সেখানে বলা হয়েছে, মায়োসিসে বাধা দিতে পরীক্ষাগারে ব্যবহার করা হয়েছিল জেকিউ১ নামের একটি যৌগ। মূলত ক্যানসার এবং প্রদাহজনিত রোগের গবেষণায় এই যৌগ কাজে লাগত এত দিন।
শুক্রাণুর উৎপাদন বন্ধ!
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, এই যৌগ মায়োসিসের ‘প্রফেজ় ১’ নামক পর্যায়ে হস্তক্ষেপ করতে পারে। তাতে সাময়িক ভাবে বন্ধ হতে পারে শুক্রাণুর উৎপাদন।
বিজ্ঞানীদের দাবি
গবেষণাগারে পুরুষ ইঁদুরদের উপর জেকিউ১ যৌগটি তিন সপ্তাহ ধরে প্রয়োগ করেছেন বিজ্ঞানীরা। এই সময়ে শুক্রাণু উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মায়োসিসের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলিও ব্যাহত হয়েছিল। প্রক্রিয়া বন্ধ করলে পরবর্তী ছ’সপ্তাহের মধ্যে ইঁদুরগুলি ফের স্বাভাবিক শুক্রাণু উৎপাদনে সক্ষম হয়েছে।
মানুষের জন্য
বিজ্ঞানীদের দাবি মানুষের ক্ষেত্রে সন্তান উৎপাদন না চাইলে তিন মাস অন্তর ইন্জেকশন নিয়ে যেতে হবে। তাহলেই সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাবে। আর সন্তান চাইলে ইন্জেকশন নেওয়া বন্ধ করে দিলেই হবে।

