Artemis II splashdown: রেকর্ড করেই পৃথিবীদের প্রত্যাবর্তন আর্টেমিস-২এর। শনিবার ভোটে প্রশান্ত মহাসাগরে নিরাপদে অবতরণ করে। নাসার চারজন মহাকাশচারীকে পৃথিবী থেকে ৪,০৬,৭৭৮ কিলোমিটার দূরে নিয়ে গিয়েছিল আর্টিমিস ২
রেকর্ড করেই পৃথিবীদের প্রত্যাবর্তন আর্টেমিস-২এর। শনিবার ভোটে প্রশান্ত মহাসাগরে নিরাপদে অবতরণ করে। নাসার চারজন মহাকাশচারীকে পৃথিবী থেকে ৪,০৬,৭৭৮ কিলোমিটার দূরে নিয়ে গিয়েছিল আর্টিমিস ২। যা ইতিহাসে সবথেকে বেশি। আর্টিমিস ২ মিশনটি পৃথিবী ঘন বায়ুমণ্ডলের মধ্যে দিয়ে একটি উত্তেজকপূর্ণ ও সফল ভাবে সমুদ্রে অবতরণ করে।
প্রশান্ত মহাসাগরের উপর প্যারাস্যুটগুলি খোলার সঙ্গে সঙ্গে, জলে অবতরণ করে চার জন মহাকাশচারী। এরই মাধ্যমে নাসা একবিংশ শতাব্দীদের চাঁদে মানবজাতির প্রথম যাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন করে। ৪,০৬,৭৭৮ কিলোমিটার দূরে নিয়ে গিয়েছিল
দেখুন সেই ভিডিওঃ
চার মহাকাশচারী
আর্টিমিস ২ মিশনে চার মহাকাশচারীর তিন জনই আমেরিকান। একজন কানাডিয়ান। নভঃচারীরা হলেন, ক্রিস্টিনা কচ, ভিক্টর গ্লোভার, জেরেমি হ্যানসেন, ওয়েইসম্যান। এই ঐতিহাসিক যাত্রা ছিল ১০ দিনের। চাঁদের চারপাশে সফর করে এটি।
চন্দ্র অভিযান
অভিযান চলাকালীন মহাকাশচারীরা চাঁদকে প্রদক্ষিণ করেন। চন্দ্রপৃষ্ঠ ও দিগন্তে পৃথিবার উদয়ের দুর্দান্তসব ছবিও তোলেন। এই মুহূর্তগুলি পূর্ববর্তী চন্দ্র অভিযানের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। কিন্তু আধুনিক উচ্চমানের প্রযুক্তির ব্যবহার এই অভিযানকে আগেরগুলি থেকে সম্পূর্ণ পৃথক করে দিয়েছে।
অভিযানের কঠিন পর্যায়
এই অভিযানের সবথেকে কঠিন পর্যায় ছিল পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তন। ঘণ্টায় ৪০,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি গতিতে ভ্রমণ করে মহাকাশযানটি চরম তাপমাত্রা সহ্য করার পর নিরাপদে সমুদ্রে অবতরণ করে। এই সফল প্রত্যাবর্তন ওরিয়ন হিট শিল্ড এবং পুনরুদ্ধার পদ্ধতির দৃঢ়তা প্রমাণ করেছে। নাসা কর্মকর্তারা এই অভিযানকে চন্দ্র অন্বেষণের পরবর্তী পর্যায়ের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে প্রশংসা করেছেন, যার মধ্যে আর্টেমিস কর্মসূচির অধীনে চাঁদে নভোচারী অবতরণও অন্তর্ভুক্ত।


