কাজে এল না সুরেশ রায়না, মঈল আলি, স্যাম কুরান, রবীন্দ্র জাদেজাদের লড়াকু ইনিংস। পাল্টা পৃথ্বি শ ও শিখর ধওয়ানদের অনবদ্য ইনিংস ও ক্যাচ মিসের খেসারত দিতে হল ধোনি সিএসকে-কে। গুরুকে মাত দিয়ে জয় দিয়ে মরসুম শুরু করল শিষ্য। এদিন প্রথমে ব্য়াট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৮ রান করে চেন্নাই সুপার কিংস। চেন্নাই হয়ে অর্ধশতরান করেন রায়না। রান তাড়া করতে ধওয়ান-শিখরের ইনিংসের সৌজন্যে সহজেই জয় ছিনিয়ে নেয় দিল্লি ক্যাপিটালস।

এদিন টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। শুরুতেই ডুপ্লেসি ও রুতুরাজের উইকেটের হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সিএসকে। তারপর চেন্নাইয়ের ইনিংসের রাশ ধরেন সুরেশ রায়না ও মঈন আলি জুটি। একের পর এক চোখ ধাঁধানো শট খেলেন দুই তারকা। ৫৩ রানের পার্টনারশিপ করার পর আউট হন মঈন আলি। ৩৬ রান করেন তিনি। এরপর অম্বাতি রায়ডু ২৩ রাবন করে রায়নাকে কিছুটা সঙ্গ দেন। অপরদিকে অর্ধশতরান করে নিজের কামব্যাককে স্মরণীয় করে রাখলেন রায়না। ৫৪ রান করে রান আউট হতে হয় রায়নাকে। শেষে ঝোড়ো ইনিংস খেলেন স্যাম কুরান ও রবীন্দ্র জাদেজা। ৩৪ রান করেন কুরান ও ২৬ রান করেন জাড্ডু। শেষে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৮ রান করে সিএসকে।

রান তাড়া করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে অনবদ্য ইনিংস খেলেন পৃথ্বি শ ও শিখর ধওয়ান। প্রথম থেকেই সিএসকের একের পর এক বোলারের বিরুদ্ধে আক্কমণাত্বক শট খেলতে থাকে দুই তারকা ওপেনার। একসঙ্গে দুজন অর্ধশতরানও করেন। ওপেনিং জুটিতে ১৩৮ রানের পার্টনারশিপ করে দিল্লির জয় নিশ্চিৎ করে দেন শিখর ধওয়ান ও পৃথ্বি শ জুটি। এরপর ৩৮ বলে ৭২ রান করে আউট হন পৃথ্বি শ আর ৫৪ বলে ৮৫ রান করে আউট হন শিখর ধওয়ান। ১৪ রান করে শেষ দলের জয়ের দরগোরায় এসে আউট হন স্টয়নিস। শেষে ১৮ ওভার ৪ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় দিল্লি। ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক পন্থ। জয় দিয়ে মরসুম শুরু করা খুশি রাজধানীর দল।