দ্বিতীয় এলিমিনেটরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ১৭ রানে হারিয়ে আইপিএল ২০২০-এর ফাইনালে পৌঁছে গেল দিল্লি ক্যাপিটালস। ফলে মঙ্গলবার আরও একবার মুখোমুখি হতে চলেছে দিল্লি ও মুম্বই। শিখর ধাওয়ানের দুর্দান্ত ব্যাটিং, মার্কাস স্টোইনিসের অসাধারণ অল-রাউন্ড পারফরম্যান্স এবং কাগিসো রাবাডার দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রথমবারের জন্য টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছলো দিল্লি

শ্রেয়স আইয়ারের টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে শুরুটা অসাধারণ করেন দিল্লি ক্যাপিটালসের ওপেনাররা। শিখর ধাওয়ান ও মার্কাস স্টোইনিসের মধ্যে ৮৬ রানের পার্টনারশিপ হয়। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ফাস্ট বোলার সন্দীপ শর্মার বলে ৩ রানের মাথায় থাকা স্টোইনিসের ক্যাচ ফেলেন জেসন হোল্ডার। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ঝোড়ো ৩৫ রান করেন অজি অল-রাউন্ডার। পাঁচটি চার ও একটি ছক্কা আসে স্টইনিসের ব্যাট থেকে। ২০ বলে ২১ রান করে আউট হন দিল্লির অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান করে দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির হয়ে সর্বোচ্চ ৭৮ রান করেন ধাওয়ান। 

১৯০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারকে হারিয়ে ফেলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মাত্র ২ রান করে কাগিসো রাবাডার বলে ইয়র্কড হন অজি ওপেনার। আইপিএলে প্রথমবার ওপেন করতে নেমে ১২ বলে ১৭ রান করে আউট হন তরুণ ব্যাটসম্যান প্রিয়ম গর্গ। ১৪ বলে ২১ রান করেন মনীশ পান্ডে। বল হাতে ছন্দে না থাকার পর ব্যাট হাতে ১৫ বলে মাত্র ১১ রান করে ফেরেন জেসন হোল্ডার।

অন্যদিকে স্বাভাবিক ছন্দে নিজের ব্যাটিং চালিয়ে যান সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ভরসা কেন উইলিয়ামসন। তবে তিনিও ৪৫ বলে ৬৭ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। পাঁচটি চার ও চারটি ছক্কা আসে কিউয়ি অধিনায়কের ব্যাট থেকে। শেষবেলায় ১৬ বলে ৩৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেও দলকে জেতাতে ব্যর্থ হন আব্দুল সামাদ। ৭ বলে ১১ রান করেন রশিদ খান। কিন্তু রাবাদার দুর্দান্ত বোলিং যাবতীয় আশা শেষ করে দেয় হায়দরাবাদের। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে ৪ উইকেট নেন কাগিসো রাবাডা। ৩ উইকেট নেন মার্কাস স্টোইনিস। তার অলরাউন্ড পারফরম্যান্স ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। চলতি আইপিএলে উইকেট সংখ্যায় আরও একবার জসপ্রীত বুমরাকে টপকে গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার।