শারজার ছোট মাঠে গেইল ঝড়, আর সেই ঝড়ের তান্ডবে উড়ে গেল কেকেআর। প্রথমে ব্যাট করে দ্রুত তিন উইকেট হারালেও মরগ্যান ও গিলের জুটি সামলে নিয়েছিল শুরুর বিপর্যয়। কিন্তু শেষ ১০ ওভারে নিয়মিত উইকেট হারাতে হারাতে ৬০ রানও তুলতে পারেনি কেকেআর। পাঞ্জাবের দুই লেগস্পিনার বিশ্নই ও অশ্বিনের ঘূর্ণি সামলাতে নাস্তানাবুদ হয়ে যায় কেকেআরের লোয়ার মিডল অর্ডার। শেষ পর্যন্ত লকি ফার্গুসনের মারাকাটারী ক্যামিও নাইটদের ১৫০ রানের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়। 

জয়ের জন্যে ঠিক ১৫০ রান তাড়া করতে নেমে মনদীপের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ১০০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে দেন ক্রিস গেইলের। লোকেশ রাহুল আউট হয়ে যাওয়ার পর দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন ক্রিস গেইল। সঙ্গে ঠান্ডা মাথায় ইনিংসের শেষ অবধি ব্যাট করে অর্ধশতরান করে পাঞ্জাবের জয় নিশ্চিত করে আসেন সদ্য পিতৃবিয়োগ ঘটা মন্দিপ সিং। ব্যাটে গেইল এদিন ২৯ বলে ঝোড়ো ৫১ রান হাঁকান। ২টি চার ও ৫টি ছক্কার বিধ্বংসী ইনিংসে পাঞ্জাবকে জিতিয়ে আইপিএল পয়েন্ট টেবিলে দলকে চার নম্বরে পৌঁছে দিলেন ইউনিভার্সাল বস। পাঁচে নেমে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। একনজরে পয়েন্ট টেবিল কী দাঁড়াল দেখে নেওয়া যাক।

১২ ম্যাচে ৬টি জয়ের ফলে ১২ পয়েন্টে পৌঁছে গিয়েছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব।এদিন শারজায় কেকেআরকে হারিয়ে চলতি আইপিএলে টানা পাঁচ ম্যাচ জিতল পাঞ্জাব। ফলে কেকেআরকে চার নম্বর থেকে সরিয়ে নিজেদের জায়গা পাকা করল লোকেশ রাহুল অ্যান্ড কোম্পানি। ১২ ম্যাচ খেলে ৬টি জয়ের পর ১২ পয়েন্ট লিগ টেবিলে পাঁচ নম্বরে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এদিন ৭ বল বাকি থাকতে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে কেকেআর ৮ উইকেটে ম্যাচ হারল। ফলে সমান পয়েন্ট থাকলেও নেট রান রেটে পিছিয়ে থাকার কারণে পাঁচ নম্বরে নেমে এল কলকাতা।