এ বারের আইপিএলে বিদেশিদের সাথে সাথে ভারতীয়রাও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। পরপর ম্যাচে কখনও নায়ক রাহুল তেওটিয়া, কখনও সঞ্জু স্যামসন, আবার কখনও রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের নায়ক ঈশান কিষাণ। সেই রীতি মেনেই বুধবার দিনটা ছিল নাইটদের দুই তরুণ পেসার উত্তরপ্রদেশের শিবম মাভি এবং রাজস্থানের কমলেশ নাগরকোটির। আর দুই তরুণ ভারতীয় পেসারকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন  অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ পেসার প্যাট কামিন্স।

কলকাতা প্রথমে ব্যাট করে তোলে ১৭৪ রান। ৪৭ রান করেন শুভমান গিল। বর্তমানে টি টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই রান খুব একটা বেশি নয়। আর রাজস্থান গত ম্যাচেই জিতেছিলো দুশোর বেশি রান তাড়া করে। তাদের কাছে এই রান তাড়া করাও কঠিন ছিল না। কিন্তু আপাতদৃষ্টিতে নগন্য এই রানকেই বিশাল পাহাড় করে তুললেন কলকাতার পেসাররা। শুরুটা করেন কেকেআরের তারকা অজি পেসার প্যাট্রিক কামিন্স। নিজের একসময়ের অধিনায়ক স্টিভ স্মিথকে ইনিংসের শুরুতেই ফিরিয়ে দেন তিনি। রাজস্থান শিবির এই শুরুর ধাক্কাটা ঠিকঠাক সামলে উঠতে পারেনি। তার দেখাদেখি পাল্লা দিয়ে ভয়ংকর হয়ে উঠেছিলেন কেকেআরের দুই তরুণ ভারতীয় পেসার কমলেশ নাগরকোটি ও শিবম মাভি। তাদের দুর্ধর্ষ বোলিংই নির্ধারণ করে দেয় ম্যাচের ভাগ্য।

অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে রীতিমতো নজর কেড়েছিলেন মাভি-নাগারকোটি। এ দিন দুই নাইটের সামনে সুবিধা করতে পারলেন না সঞ্জু-উথাপ্পারা। ভয়ংকর হয়ে উঠতে থাকা বাটলারে সাথে সাথে সঞ্জুকেও ফেরান মাভি। চার ওভারে ২০ রান দিয়ে মাভি নেন দুই উইকেট। নাগারকোটি নিজের প্রথম ওভারেই নেন দুটি উইকেট। ২ ওভারে তিনি দিয়েছেন ১৩ রান। প্রথম ম্যাচের ব্যর্থতার পর থেকেই পাল্টে গিয়েছেন প্যাট কামিন্স। টেস্টে তিনি কেন এক নম্বর বোলার, তা প্রমাণ করছেন। কেকেআরের ওপর গত মরশুমে একটা বদনাম লেগেছিল, যে তারা তাদের ক্যারিবিয়ান তারকা আন্দ্রে রাসেলের ওপর বড্ড বেশি নির্ভরশীল। সেই ধারণাকে মিথ্যে প্রমাণ করে পরপর দুটো ম্যাচে জয় নাইটদের।