• কাল ছিল আইপিএল ২০২০ এর দশম ম্যাচ• মুখোমুখি হয়েছিল আরসিবি এবং মুম্বই• সুপার ওভারে দেখা গিয়েছে বোলারদের দাপট• বাকি চল্লিশ ওভারের খেলায় দেখা গেছে একাধিক নজরকাড়া পারফরম্যান্স

 কালকের ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মন্ত্র হয়ে উঠেছিল "জয় কিষান"। যদি সৌরভ তিওয়ারি খেলার জন্য সুস্থ থাকতেন, তবে ম্যাচে নামার সুযোগই পেতেন না। একটি অপ্রত্যাশিত চান্স পাওয়ামাত্র সেটিকে দু হাত দিয়ে জটিয়ে ধরলেন ঈশান কিষান। নিজের দুর্দান্ত ইনিংস এবং পোলার্ডের সাথে দুর্দান্ত পার্টনারশিপে আরসিবির হাত থেকে কার্যত ম্যাচ বের করে নিয়েছিলেন। কিন্তু একটুর জন্য ট্র্যাজিক নায়ক হিসেবে মাঠ ছাড়তে হল বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানকে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রথমে ব্যাট করে ফিঞ্চ, দেবদূত এবং ডিভিলিয়ার্সের অর্ধশতরান এবং শিবম দুবের বিস্ফোরক ইনিংসে ভর করে মুম্বইকে জয়ের জন্য ২০২ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল ব্যাঙ্গালোর। সেই রান তাড়া করতে নেমে একসময় হাতের বাইরে চলে যাওয়া জায়গা থেকে দলকে লড়াইয়ে ফেরত আনেন ঈশান ও পোলার্ড। ১৯.৫ ওভারে যখন ঈশান আউট হন, তখন মুম্বইয়ের দু'বলে দরকার ছিল পাঁচ রান। আগের দুটো বলের মতোই ছক্কা মারতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ডিপ মিড-উইকেটের বাউন্ডারির বল দেবদূত পাড়িকলের হাতে জমা পড়ে যায়। তার ফলে মাত্র এক রানের জন্য শতরান ফস্কান কিষান। ১ বলে ৫ রান বাকি থাকা অবস্থায় চার মেরে খেলা সুপার ওভারে নিয়ে যান কায়রন পোলার্ড।

কিন্তু তারপর ঈশানকে সুপার ওভারে নামানো হয়নি। তা নিয়ে ভ্রূ কুঁচকেছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। যদিও ম্যাচ শেষে রোহিত শর্মা দাবি করেন, ইশানকে ‘ফ্রেশ’ লাগছিল না। সেই যুক্তিতে অবশ্য অনেকেই মানতে নারাজ। তাঁদের প্রশ্ন, যে ছেলেটা প্রথম দিকে স্পিনারদের বিরুদ্ধে খেলতে না পারলেও পেসারদের অনায়াসে মাঠের বাইরে ফেলছিলেন বা যে ছেলেটা সদ্য ৫৮ বলে ৯৯ করে উঠেছেন, তিনি ছ'টা বল খেলতে পারতেন না? আর এই জায়গায় এসেই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় বলে সকলের ধারণা কারণ ঈশানের বদলে নামা পান্ডিয়া বা রোহিত কেউই বিন্দুমাত্র প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হন সুপার ওভারে।