মণীশ পাণ্ডের ৫৪ ও ডেভিড ওয়ার্নারের ৪৮ রানের ইনিংস খেললেও, রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে বড় রান করতে ব্যর্থ হল সানরাইজার্স হায়দরাবা। ২০ ওভারে ডেভিড ওয়ার্নারের দল করল ১৫৮ রান। এদিন গোটা ইনিংসে আঁটোসাটো বলিং করেলন রাজস্থানের বোলাররা। এদিন টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। তবে শুরুটা ভাল হয়নি তাদের। ধীরে শুরু করার পাশাপাশি পঞ্চম ওভারে প্রথম উইকেট পড়ে সানরাইজার্সের। কার্তিক ত্যাগির বলে আউট হন ফর্মে থাকা জনি বেয়ারস্টো। ১৬ রান করেন তিনি। এরপর ক্রিজে আসেন মণীশ পাণ্ডে। অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারের সঙ্গে ইনিংসের রাশ ধরেন তিনি। উইকেট না হারিয়ে দললের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান তারা। এদিন অনেক বেশি আঁটোসাটো বোলিং করেন রাজস্থান রয়্যালসের বোলাররা। 

পাওয়ার প্লে-র পরও রানের গতিবেগ খুব একটা বাড়াতে পারেনি ওয়ার্নার ও মনীশ পাণ্ডে। ধীরে ধীরে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দ্বিতীয় উইকেটে অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ যোগ করেন ওয়ার্নার-পাণ্ডে জুটি। একেবারে বাজে বল পেলে আক্রমণাত্বক শট খেলার চেষ্টাও করেন তারা। তৃতীয় উইকেটে ৭৩ রানের রানের পার্টনারশিপ করার পর আউট হন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক ডেভিড ও ওয়ার্নার। ১৫ তম ওভারে দের ৯৬ রানের মাথায় আউট তিনি। জোফ্রা আর্চারের বললে বোল্ড আউট হন ওয়ার্নার। ৩৮ বলে ৪৮ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ৩টি চার ও ২টি মারেন  তিনি। ১৫ ওভার শেষ সানরাইজার্সের স্কোর দাঁড়ায় ৯৬ রানে ২ উইকেট। 

১৫ ওভারের শেষে রানারে গতিবেগ কিছুটা বাড়ান মণীশ পাণ্ডে। অপরদিকে ক্রিজে আসেন কেন উইলিয়ামসন। ১৬ তম ওভারে করেন ১৩ রান। ১৭ তম ওভারে নিজের হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন মণীশ পাণ্ডে। ৪০ বলে ২টি চার ও ৩টি ছয়ের সৌজন্যে হাফ সেঞ্চুরি করেন তিনি। ১৭ ওভার শেষে সানরাইজার্সের স্কোর দাঁড়ায় ১১৭ রানে ২ উইকেট। কিন্তু ১৮ তম ওভারে জয়দেব উনাদকাটের বলে আউট হন মণীশ পাণ্ডে। ৫৪ রান করেন তিনি। শেষের দিকে আক্রমণাত্ব ভঙ্গিতে ব্যাটিং করেন কেন উইলিয়ামসন। ১৯ ওভার শেষে রান দাঁড়ায় ১৪৭ রানে ৩ উইকেট। শেষ ওভারে আসে ১১ রান। ২০ ওভার শেষ বলে ১৫ রান করে রান আউট হন প্রিয়ম গর্গ। ২০ ওভারে সানরইজার্সের স্কোর ১৫৮ রান। রাজস্থান রয়্যালসের টার্গেট ১৫৯ রান।