এ যেন প্রথম পর্বের খেলার অনেকটা পুনরাবৃত্তি। শুধু প্রথম পর্বের খেলায় ইনজুরি টাইমে ৯৫ মিনিটে গোল করে ম্যাচ ড্র করেছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। আর দ্বিতীয় পর্বে ঘটল ঠিক তার উল্টোটা। ম্যাচের ৯৫ মিনিটে গোল করে কার্যত হারা ম্যাচে এক পয়েন্ট ঘরে তুলল এসসি ইস্টবেঙ্গল। হাড্ডাহাড্ডি ম্য়াচে কেরালাকে গোল করে প্রথমে এগিয়ে দেন জর্ডান মুরায়। আর রবি ফাউলারের দলকে শেষ মুহূর্তে গোল করে এক পয়েন্ট এনে দেন স্কট নেভিল।

এদিন ম্য়াচে ফেভারিট হিসেবেই শুরু করেছিল রবি ফাউলারের দল। ম্য়াচে একাধিপত্ব বজায় রেখেই খেলা শুরু করে লাল-হলুদ ব্রিগেড। মাঝমাঠের কন্ট্রোলও অনেকচাই নিজেদের আয়ত্তে রেখেছিল ইস্টবেঙ্গল প্লেয়াররা। তবে রক্ষণাত্বক ফুটবল খেলে কাউন্টার অ্যাটাকে যাওয়ারই পরিকল্পনা নেয় কিভু ভিকুনার কেরালা ব্লাস্টার্স। ম্য়াচের প্রথমার্ধে দুই দলই কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরি করে। কিন্তু জালে বল জড়াতে পারেনি কোনও দলই। গোলশূন্য ব্যবধানেই শেষ হয় খেলা। 

দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য ঝাপায় দুই দলই। রণকৌশলও পরিবর্তন করে রবি ফাউলার ও কিভু ভিকুনার দল। যার ফল স্বরূপ ম্যাচের ৬৪ মিনিটে গোল করে কেরালাকে এগিয়ে দেন জর্ডান মুরারি। গোল হজম করার পর শোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে লাল-হলুদ ব্রিগেড। কিন্তু কেরালা রক্ষণকে ভাঙতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় মাঘোমা, ব্রাইটদের। তবে ম্য়াচের ইনজুরি টাইমে গোল করে লাল-হলুদকে এক পয়েন্ট এনে দেন স্কট নেভিল। এই ম্য়াচ জয়ের আশা করেছিল ইস্টবেঙ্গল। খেলা শেষে কষ্টার্জিত ১ পয়েন্ট পাওয়ায় কিছুটা হলেও হতাশ রবি ফাউলার।