PSG vs Arsenal: শনিবার রাতে বুদাপেস্টে (Budapest) উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে (UEFA Champions League 2026 Final) আর্সেনালকে হারিয়ে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হল পিএসজি। প্রিয় দলের এই সাফল্যের পর প্যারিসে তাণ্ডব চালালেন সমর্থকরা। অগ্নিসংযোগ, পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ চলল। শতাধিক পিএসজি সমর্থককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
KNOW
Paris News: আনন্দ-উচ্ছ্বাস বদলে গেল সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ, পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে। শনিবার রাতে প্যারিসের ছবি হঠাৎই বদলে গেল। গ্রেফতার হলেন অন্তত ১৩০ জন প্যারিস সাঁ-জা (Paris Saint-Germain) সমর্থক। বুদাপেস্টে (Budapest) উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে (UEFA Champions League 2026 Final) আর্সেনালের (Arsenal) মুখোমুখি হয়েছিল পিএসজি। এই ম্যাচ দেখার জন্য পার্স ডেস প্রিন্সেস স্টেডিয়ামে (Parc des Princes stadium) ভিড় জমান ৪০,০০০-এরও বেশি পিএসজি সমর্থক। এই স্টেডিয়ামে জায়ান্ট স্ক্রিনে ম্যাচ দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ম্যাচ চলাকালীন কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু পিএসজি টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার পরেই সমর্থকদের একাংশ তাণ্ডব শুরু করেন। এই ঘটনায় আনন্দ পরিণত হয় আতঙ্কে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কঠোর ব্যবস্থা নেয় পুলিশ।

হঠাৎ কেন প্যারিসে গোলমাল?
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পিএসজি সমর্থকরা বিভিন্ন জায়গায় আগুন ধরিয়ে দিচ্ছেন, রাস্তায় গাড়ি-সাইকেল জ্বলছে, গাড়িতে লাথি মারা হচ্ছে, ভাঙচুর করা হচ্ছে, বহু মানুষ ছুটছেন। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। কিন্তু তাতে বিশেষ কাজ হয়নি। এরপর জনতাকে হঠাতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। গভীর রাত পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। পুলিশ জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর ও পুড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি অনেক দোকানেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। অনেকে অভিযোগ করছেন, অভিবাসীরা এই ঘটনার পিছনে রয়েছে। তারাই অশান্তি-হিংসা ছড়িয়েছে।
পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ
গত বছর প্রথমবার উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতে পিএসজি। তারপর বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষ হয়েছিল। সেই ঘটনার কথা মাথায় রেখে এবার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে সারা ফ্রান্সে ২২,০০০-এরও বেশি পুলিশকর্মীকে রাস্তায় মোতায়েন করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও প্যারিসে হিংসা আটকাতে পারল না পুলিশ। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যারা এই হিংসার পিছনে রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও উঠছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


