সাংবাদিক সেজে বন্য়প্রাণীর দেহাংশ পাচারের চেষ্টা! কিন্তু শেষরক্ষা হল না। জলপাইগুড়ির মালবাজারে তিন পাচারকারীকে হাতেনাতে ধরে ফেলল বনদপ্তরের টাস্ক ফোর্স। উদ্ধার হল গন্ডারের সিং ও হাতির দাঁত। এদিকে যারা ধরা পড়েছে, তাদের মধ্যে একজন আবার ভূটানের নাগরিক বলে জানা দিয়েছে।

নেপাল-ভূটানে কোটি কোটি টাকায় বিক্রি হয় পশুর দেহাংশ। আর সেই  বাজার ধরতে নির্বিচারে পশুহত্যা চলে উত্তরঙ্গের বনাঞ্চলে।  আবার অসম-সহ উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন রাজ্য থেকে উত্তরবঙ্গ হয়ে চোরাপথে পাচার হয়ে যায় গন্ডারের সিং, হাতির দাঁত কিংবা পশুর চামড়া। জানা গিয়েছে, অসম থেকে প্রাণীর দেহাংশ ডুয়ার্সে এনে পাচারের ছক কষা হয়েছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জলপাইগুড়ির মালবাজারে ফাঁত পাতেন বনদপ্তরে টাক্স ফোর্স সদস্যরা। সন্দেহজনক গাড়ি দেখলেই তল্লাশি চালাচ্ছিলেন তাঁরা। আর তাতেই মেলে সাফল্য। একটি চার চাকা গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় হাতি দাঁত ও গন্ডারে খড়গ। ধরা পড়ে চারজন পাচারকারীও। তদন্তকারীদের দাবি, তাদের সকলেই গলায় ঝুলছিল প্রেসকার্ড!

আরও পড়ুন: চা বাগানে খেলা করছে চিতাবাঘের শাবক, আতঙ্ক ছড়াল জলপাইগুড়িতে

ধৃতদের নাম অর্জুন  তিওয়ারি, সুভাষ ছেত্রী ও পিটার রাই। অর্জুন ভুটানের নাগরিক। সুভাষের বাড়ির সিকিমে, আর পিটার ভূটান সীমান্ত লাগোয়া আলিপুরদুয়ারের জয়গাঁ-র বাসিন্দা। এর আগে জয়গাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে লুপ্তপ্রায় ক্লাউডেড লেপার্ডের চামড়া-সহ ভূটানের দুই নাগরিককে গ্রেফতার করে বনদপ্তর।