শাজাহান আলি, ঝাড়গ্রাম-বিধানসভা ভোটের আগে শুভেন্দুকে নিয়ে জল্পনা বাড়ছে রাজ্য রাজনীতিতে। তৃণমূল থেকে যখন দূরত্ব বিধি বজায় রাখছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর গুরুত্ব বাড়ছে রাজ্য বিজেপিতে। ঝাড়গ্রাম জনসভায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ। শুভেন্দুকে বিজেপিতে স্বাগত জানালেন তিনি।

আরও পড়ুন-মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে এড়ালেন শুভেন্দু, যোগ দিলেন না রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে

বুধবার ঝাড়গ্রামের সাঁকরাইলের কালরুই গ্রামে বিজেপির একটি সভাতে হাজির হয়েছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাক্তন পুলিশ সুপার তথা বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ। সেই সভায় দাঁড়িয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর হাত ধরেই এদিন একশোর বেশি সাধারণ মানুষ বিজেপিতে যোগদান করেন। সেখানেই শুভেন্দুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভারতী ঘোষ।

ঝাড়গ্রামের সভায় দাঁড়িয়ে ভারতী ঘোষ বলেন, ''শুভেন্দুবাবুর মতো একজন জননেতাকে তৃণমূল সম্মান না জানালে, বাংলাকে কীভাবে সম্মান দেবে তৃণমূল। তিনি দলে এলে তাঁকে স্বাগত ''। শুধু তাই নয়, কলকাতার পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমকে তীব্র কটাক্ষ করে শুভেন্দুকে সম্মান জানান ভারতী ঘোষ। অথচ, আগে তাঁকে মিথ্যা মামলার ফাঁসানোর জন্য শুভেন্তদু অধিকারীর মদত রয়েছে বলে নিজেই দাবি করেছিলেন ভারতী ঘোষ। অথচ, তৃণমূল থেকে শুভেন্দু অধিকারী য়খন দূরে, সেই সময় তাঁকে বিজেপিতে স্বাগত জানালেন ভারতী ঘোষ। 

আরও পডুন-শুভেন্দুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার জের, দলীয় নেতৃত্বের কোপে মুর্শিদাবাদের জেলা পরিষদের সভাধিপতি

ফিরহাদ হাকিমকে কটাক্ষ করে ভারতী বলেন, ''ববি হাকিম যেখানে সভা করেছিলেন, সেখানে ১৪৭জন লোক হয়েছিল। আমি জানি না ঠিক বলছি কিনা। তবে ওটাকে ঠিক সভা বলা যায় না। ওটাকে আমরা চায়ে পে চর্চা বলি। শুভেন্দুবাবু যেটা করছেন, সেটা জনসভা। উনি একজন জননেতা। জনসভা করে তিনি তাঁর মনের কথা জানিয়েছেন। বাংলার মানুষ পরিষ্কার বুঝতে পেরেছেন, শুভেন্দুবাবুর মতো জননেতাতে যদি তৃণমূল সম্মান না করে, তাহলে সেই তৃণমূল সরকার লার মানুষকে কী দেবে? আর বাংলার মানুষ কী সম্মান করবে? আমি এখানে দাঁড়িয়ে বলছি, বিজেপির সরকার হবে। তৃণমূলকে দূরবীন দিয়ে খুঁজে পাওয়া যাবে না''। মন্তব্য ভারতী ঘোষের।