স্ত্রীর হাতেই কি খুন হয়ে গেলেন? গভীর রাতে রক্তাক্ত অবস্থায় যুবককে আনা হয় হাসপাতালে। তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। মৃতের স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, শ্যালক পলাতক। ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে।

আরও পড়ুন: 'ধর্ষণ করে খুন', তিনদিন পর মৃতার দেহ শনাক্ত করলেন পরিবারের লোকেরা

মৃতের নাম গোপাল পৈড়া। বাড়ি, ঝাড়গ্রাম শহরের কেশবডিহি এলাকায়। স্থায়ী কোনও রোজগার ছিল না তাঁর। যখন যেমন কাজ পেতেন, তাই করতেন গোপাল। পুলিশ জানিয়েছে, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ফের বিয়ে করেন ওই যুবক। দ্বিতীয় স্ত্রী টুসুরানী বৃন্দানীকে নিয়ে কখনও থাকতেন ঝাড়গ্রামে নিজের বাড়িতে, তো কখনও গোপীবল্লভপুরে, শ্বশুরবাড়িতে। প্রায় একমাস যাবৎ গোপীবল্লভপুরের চুনাঘাটি গ্রামেই ছিলেন গোপাল।

আরও পড়ুন: স্নান করতে নেমে ঘটল বিপর্যয়, হুগলি নদীতে তলিয়ে দুই শিশু

জানা গিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে রক্তাক্ত অবস্থায় গোপালকে গোপীবল্লভপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসেন তাঁর স্ত্রী টুসুরানী ও মেজো শ্যালক নন্দলাল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে ওই যুবককে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। মৃতের মাথা ও কাঁধের ধারালো অস্ত্রের একাধিক ক্ষত ছিল। পরিবারের লোকেদের অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে গোপালকে কুপিয়ে খুন করেছে তাঁর স্ত্রীই। রবিবার রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মেজো শ্যালক পলাতক।  পুরনো কোনও আক্রোশ নাকি অন্য কারণে এমন ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।