Asianet News Bangla

৯ ছাত্রীকে ভর্তি নেয়নি স্কুল, দিদিকে বলো-তে ফোন করতেই সুরাহা

  • দিদিকে বলোতে অভিযোগ জানিয়ে সমস্যার সমাধান
  • ড্রপ আউট থেকে বাঁচল জঙ্গলমহলের নয় কন্যা
  • এলাকার জুনিয়র হাইস্কুল থেকে পাশ করে ওই ছাত্রীরা 
  • নিচুমঞ্জরী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হতে গিয়েছিল তারা 
Students got admission after calling didike bolo in Jhargram
Author
Kolkata, First Published Mar 5, 2020, 8:42 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

দিদিকে বলোতে অভিযোগ জানিয়ে ড্রপ আউট থেকে বাঁচল জঙ্গলমহলের নয় কন্যা। এলাকার জুনিয়র হাইস্কুল থেকে পাশ করে শালবনী নিচুমঞ্জরী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হতে গিয়েছিল তারা। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ ভর্তি নেয়নি। এরপরই স্থানীয় এক শিক্ষক নেতার মাধ্যমে তারা দিদিকে বলোতে অভিযোগ জানান। যেই বলা সেই কাজ।

আপাতত স্বস্তিতে পোল্যান্ডের ছাত্র কামিল, দেশে থাকার অনুমতি ১৮ মার্চ 

বুধবারই জেলা শিক্ষা দফতর থেকে এক নির্দেশিকা জারি করে শালবনী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা বাসবী ভাওয়ালকে জানিয়ে দিয়েছেন ড্রপ আউট থেকে বাঁচাতে ওই নয় ছাত্রীকে অবিলম্বে ভর্তি নিয়ে নিতে। সেই মর্মে বাসবীদেবীও বৃহষ্পতিবার স্কুলে নোটিশ টাঙিয়ে ওই নয় ছাত্রীকে আগামী শনিবার ভর্তি হয়ে যেতে বলেছেন।

বানান ভুলেও কাটবে না নম্বর, নতুন নিয়ম চালু মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

ঘটনাসূত্রে জানা গিয়েছে, যে ওই নয় ছাত্রী স্থানীয় এলাকার বিভিন্ন জুনিয়র হাই স্কুলে পড়ত। অষ্টম শ্রেনিতে ভর্তি হয়ে যাওয়ার পর তারা শালবনী নিচুমঞ্জরী স্কুলের ফর্ম তুলেছিল নবম শ্রেনিতে ভর্তি হওয়ার জন্য। কিন্তু তাদের ভর্তি তালিকায় নাম বের হয়নি। বিষয়টি জানতে পারেন  মেদিনীপুর সদর মহকুমার তৃণমুল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক তন্ময় সিংহ। তিনি বিষয়টি নিয়ে প্রথমে স্থানীয় অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক চন্দন খুটিয়া এবং জেলা স্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। 

'রাজীব কুমারকে বাঁচানোর উপহার, শাহকে শহিদ মিনারে মিটিংয়ের ছাড়পত্র মমতার'

কিন্তু কাজের কাজ না হওয়ায় দিদিকে বলোতে বিষয়টি জানান। পাশাপাশি তিনি  মুখ্যমন্ত্রী গ্রিভান্স সেলেও অভিযোগ জানান।  এর কয়েকদিনের মধ্যেই গত বুধবার ওই নির্দেশিকা জারি হয়। তন্ময়বাবু বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় নিজে ড্রপ আউট রোধে নানান পদক্ষেপ নিচ্ছেন। চালু করেছেন স্বপ্নের কন্যাশ্রী। আর সেই কন্যাশ্রী থেকে ওই গরিব ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কয়েকজন ছাত্রী বঞ্চিত হচ্ছে দেখে দিদিকে বলোতে জানাই। এখন তারা ভর্তি হতে পারবে জেনে খুশি তিনি।

 এদিকে শালবনী নিচুমঞ্জরীর প্রধান শিক্ষিকা বাসবীদেবী বলেছেন, শ্রেণিকক্ষে স্থান সংকুলানের অভাবেই বেশ কিছু ছাত্রীকে ভর্তি নিতে পারছিলাম না। এর পেছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। নবম শ্রেনিতে এই মুহুর্তে তিনশো জনেরও বেশি ছাত্রী ভর্তি আছে। তিনটি বিভাগের প্রতিটিতে একশোর বেশী ছাত্রী আছে। বেশী ছাত্রী উপস্থিত হলে তাদের ক্লাসরুমে জায়গা হয় না। ক্লাসের বাইরে সতরঞ্জি পেতে বসতে দিতে হয়। 

পরীক্ষাও ওইভাবে নিতে হয়। নবম শ্রেনিতে এ বছর ভর্তি হতে চেয়ে ৮২ জন ফর্ম তুলেছিল। ঠিক হয় যে একাধিক বিষয়ে যারা ফেল করেছে তাদের এখানে ভর্তি নেওয়া হবে না। তাদেরকে পাশাপাশি অন্যান্য স্কুলে ভর্তি হতে বলা হয়। এরকম ১৪ জনকে ভর্তি নেওয়া হয়নি। একই নিয়মের যাঁতাকলে পড়ে তাদের নিজেদের স্কুলেরও ফেল করা ২৫ জন ছাত্রীকে ভর্তি নেওয়া হয়নি। যেখানে স্থান সংকুলান নেই সেখানে কোনও না কোনওভাবে রাশ টানতেই হত। যা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানোও হয়েছিল। এখন ফের শিক্ষা দফতরের নির্দেশিকা এসেছে যে ড্রপ আউট বাঁচাতে তাদের ভর্তি নিতে হবে। তাই নতুন নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios