চলতি বছরের ১০ জুন লেকটাউনের পাতিপুকুর এলাকার বাসিন্দা রাহুল লেকটাউন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তিনি জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বহুল প্রচারিত নামি কোম্পানির ফ্র্যাঞ্চাইজির বিজ্ঞাপন দেখে তিনি যোগাযোগ করেন। তার পরই ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য তাঁর কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্য চাওয়া হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) বিজ্ঞাপন (Advertisement) দেখে ওষুধ কোম্পানির (Medicine Company) ফ্র্যাঞ্চাইজি (Franchise) নেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন লেকটাউনের (Lake Town) বাসিন্দা রাহুল ভট্টাচার্য নামে এক ব্যক্তি। আর তার জেরেই লক্ষাধিক টাকা (Money) খোয়াতে হল তাঁকে। প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে পুলিশে (Police) অভিযোগ জানান তিনি। তারপরই তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে চারজনকে গ্রেফতার (Arrest) করে লেকটাউন থানার পুলিশ (Lake Town Police Station)। ধৃতরা এই চক্রের মূল পান্ডা ছিল বলে জানা গিয়েছে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

চলতি বছরের ১০ জুন লেকটাউনের পাতিপুকুর এলাকার বাসিন্দা রাহুল লেকটাউন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তিনি জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বহুল প্রচারিত নামি কোম্পানির ফ্র্যাঞ্চাইজির বিজ্ঞাপন দেখে তিনি যোগাযোগ করেন। তার পরই ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য তাঁর কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্য চাওয়া হয়। যেমন ব্যাঙ্কের পাসবুকের ফটোকপি থেকে শুরু করে বেশকিছু নথি অভিযুক্তদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। এরপর তারা তাঁর কাছ থেকে ৩৫ হাজার ১৬৪ টাকা দাবি করে। তারপর ৪ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা দাবি করেছিল। একে একে অভিযুক্তদের অ্যাকাউন্টে (Bank Account) ওই সব টাকা ট্রান্সফার (Money Transfer) করেছিলেন তিনি। বলা হয়েছিল খুব তাড়াতাড়ি ফ্র্যাঞ্চাইজি পেয়ে যাবেন। কিন্তু, তারপরও অভিযুক্তরা তাঁর থেকে জিএসটির জন্য আরও কিছু টাকা দাবি করেছিল। আর এভাবেই রাহুল ভট্টাচার্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে আরও বেশ কিছু টাকা উধাও হয়ে যায়। কিন্তু, ফ্র্যাঞ্চাইজি কোনওভাবেই তিনি পাচ্ছিলেন না। বুঝতে পারেন যে তিনি প্রতারণার (Fraud Case) শিকার হয়েছেন।

এরপরই পুলিশের দ্বারস্থ হন রাহুল। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে যে জনৈক দ্বীপ নারায়ণ সিংয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছিল। তা জানতে পেরেই দ্বীপ নারায়ণকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় আরও তিন ব্যক্তির নাম উঠে আসে। অবশেষে গতকাল রাতে হাওড়ায় হানা দেয় লেকটাউন থানার পুলিশ। সেখান থেকে এই চক্রের মূল অভিযুক্ত মনু মিশ্র, সুনীল দাস এবং আফতাব আলমকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে অভিযুক্তরা এভাবে অনলাইনে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন পোস্ট করত। এবং সেই বিজ্ঞাপনে উৎসাহী হয়ে যদি কেউ যোগাযোগ করত তখন তাঁদের প্রতারিত করাই ছিল তাদের আসল ব্য়বসা। এভাবেই তারা বেছে নিত টার্গেট। আর লক্ষাধিক টাকা প্রতারণা করত তারা। 

পুলিশ এদিন এই অভিযুক্তদের বিধাননগর আদালতে তোলার পর নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত করার আবেদন জানাবে। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত রয়েছে তা ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।